সেমিনারে আলোচিত প্রধান বিষয়সমূহ:
• অগ্নি-ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিতকরণ
• স্টেশন এলাকায় LPG/কেরোসিন ব্যবহার করে রান্নার স্থান
• স্টেশন ও আশেপাশের অননুমোদিত দোকান
• ট্র্যাকের পাশে পড়ে থাকা গাছ কাটার অংশ
• সার্ভিস বিল্ডিং বা দোকানে শর্ট সার্কিট বা স্পার্কিং
• ট্র্যাক/স্টেশন/ইয়ার্ডে শুকনো পাতা, সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ও আবর্জনা জমে থাকা
advertisement
রেল বকলিং প্রতিরোধ: অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে রেল লাইনের প্রসারণজনিত রেল বকলিং সমস্যার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা আধুনিক পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত প্রতিকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।
গ্যাপ সার্ভে ও সংশোধন: সংবেদনশীল এলাকায় ট্র্যাকের ক্রীপ, জয়েন্ট সমস্যা, সান কিংক, অ্যালাইনমেন্ট ত্রুটি ইত্যাদি চিহ্নিত ও সংশোধনের উপর জোর দেওয়া হয়।
অগ্নি নিরাপত্তা ও বৈদ্যুতিক সতর্কতা: উচ্চ তাপমাত্রায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফায়ার ড্রিলের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
বিভাগীয় সমন্বয়: কমার্শিয়াল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল, S&T, TRD এবং অপারেশন বিভাগের কর্মীরা একসঙ্গে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
• প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ
• গরমে বিশেষ পেট্রোলিং
• রেলের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ
• প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির প্রাপ্যতা
• লোকোমোটিভ যন্ত্রাংশ পরিষ্কার রাখা
• অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা
• কোচিং স্টকের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ
আরও পড়ুন– হরিশ রাণার জীবনের শেষের কিছু মুহূর্ত… সামনে এল মেডিক্যাল বোর্ড নিয়ে এইমস-এর বড় সিদ্ধান্ত
যাত্রীদের আরাম ও নিরাপত্তার জন্য ঠান্ডা পানীয় জলের ব্যবস্থা, এয়ার কন্ডিশনিংসহ অন্যান্য সুবিধা সচল রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গরমজনিত জরুরি পরিস্থিতির জন্য চিকিৎসা প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিয়ালদহ বিভাগের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক রাজীব সাক্সেনা বলেন, রেলের নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। গ্রীষ্মকালে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলি আগেভাগে মোকাবিলা করে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে বিভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
