সূত্রের এও খবর, পুজো উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরে। বছর গড়ালেই চব্বিশের মহারণ। তার আগে এ বছর অক্টোবরে বাংলার সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। বিজেপি চাইছে পুজোকে হাতিয়ার করে জনসংযোগে জোর দিতে। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় পৌঁছে গিয়েছে বিজেপির শারদীয়া নির্দেশ।
advertisement
আরও পড়ুন: মহিলার গোপনাঙ্গে ধাতব শব্দ! বনগাঁর সীমান্তে যা উদ্ধার হল, চক্ষু চড়কগাছ সকলের
বলা হয়েছে প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি পুজোয় নেতা-কর্মীদের প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকতে হবে। কিন্তু কাজটা যে সহজ নয় তা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। বাংলার বিজেপি নেতাদের যুক্তি, জেলা থেকে কলকাতা। বড় বড় পুজোগুলির সঙ্গে তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীরা জড়িত। তার উপর রয়েছে রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদান। এ বছর ক্লাবগুলি পাচ্ছে ৭০ হাজার টাকা করে অনুদান। এই অবস্থায় পাল্টা অনুদান দিয়ে পুজো কমিটিগুলিকে কাছে টানতে চাইছে পদ্ম শিবিরও।
আরও পড়ুন: বাংলার পড়ুয়াদের সাহায্য করবে মাদ্রিদের বিশ্ববিদ্যালয়! বৈঠকেই মিলল সমাধান
কারণ তারা ভালই জানে, দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির চরম আবেগ। কিন্তু যে বিজেপি এতদিন রাজ্যের পুজো অনুদান নিয়ে রাজ্য সরকার তথা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে এসেছে, এবার তারাও একই পথে হাঁটলে সেটা কি দ্বিচারিতা হবে না? উঠছে প্রশ্ন। সব মিলিয়ে রাজ্যের পুজো গুলিতে যখন একচ্ছত্র আধিপত্য শাসকদলের নেতা মন্ত্রীদের, ঠিক তখনই এবার লোকসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে বাংলার পুজোয় বিজেপির প্রভাব বাড়াতে পুজো উদ্যোক্তাদের আর্থিক সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে জনসংযোগ স্থাপনই মূল লক্ষ্য বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।
