তিনি আরও বলেন, ‘‘বাংলায় টেনিসের কোনও আলাদা স্টেডিয়াম নেই ৷ এখানে একটাও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই ৷ এত গরম, বর্ষায় এখানকার বাচ্চারা খেলতে পারে না ৷ ১৯০০ সালে নরম্যান প্রিচার্ড এখানে জন্মায় ৷ কলকাতা থেকে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জন অলিম্পিক্স মেডেল পেয়েছে ৷ ১০০ বছরে মাত্র চারজনের পদক ৷ কোনও পরিকাঠামো উন্নত করা হয়নি ৷ নরেন্দ্র মোদি আমাকে দিল্লিতে ডাকেন ৷ ওঁকে ধন্যবাদ জানাই, একজন বাংলার ছেলেকে কতটা আন্তরিকতার সঙ্গে আমার সঙ্গে কথা বলেন ৷ আমি জানাই, বাংলাকে আমি ‘বৃদ্ধাশ্রম’ বানাতে দেব না ৷ এখানকার যুবকদের কর্মমুখী করে তুলতে হবে ৷ বাংলায় ক্রীড়া শিক্ষা, পরিকাঠামো ভাল করে করতে হবে ৷’’
advertisement
লিয়েন্ডারের কথায়, ‘‘আমাকে ৭টি ভিশন দিয়েছেন মোদি ৷ ওনার ভিশন হল ক্রীড়া জগতের উন্নতি ৷ বাংলার ছেলেকে সুযোগ দিয়েছেন দেশের সেবা করার ৷ ক্রীড়া ও যুবদের উন্নতির লক্ষ্য দিয়েছেন ৷ আগামীদিনে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে আমি ও আমার টিম এগবো এই কাজে ৷ দেশকে ‘সুপার পাওয়ার’ করব ৷ ক্রীড়া ও যুবদের উন্নতিতে মোদি আমাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন ৷ ২০৩৬ সালে দেশ এক অন্য ফল করবে ৷ রাজনীতির এই খেলা আমার কাছে নতুন ৷ আমি সততার সঙ্গে সেই কাজ করব ৷ আমি কারওর জন্য খারাপ কিছু বলব না ৷ ২০ বছরের মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন বাচ্চার ভবিষ্যত বানাবো ৷ জাতীয় দলের হয়ে কাজ করব ৷ যখন কেউ আমার বাঙালিয়ানা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন আমার কষ্ট হয় ৷ আমি আদ্যন্ত বাঙালি ৷ হ্যাঁ, আমি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নই ৷ আমার বাবা পর্তুগিজ ছিলেন ৷ তবে সে তো এই দেশের মানুষই ৷ আমি তো এই দেশের মানুষ, আমি দেশের যুবাদের সেবা করার জন্য এসেছি ৷ বাংলায় হোক বা অন্য রাজ্যে হোক, সর্বত্র এই কাজ করব ৷’’
এর পাশাপাশি মেসির ইভেন্টের বিতর্ক নিয়েও মুখ খুললেন লিয়েন্ডার ৷ বললেন, ‘‘মেসি বাংলায় আসার পর তাঁকে কতটা অসম্মান করা হয়েছে ৷ এটা যদি সৌরভ বা স্নেহাশিস আয়োজন করত, এটা কোনওদিন হতো না ৷ কোনও খেলার জগতের লোক যদি এটা সংগঠিত করতো, তবে হত না ৷’’
