আরও পড়ুন Malda News: করোনার মধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গুও, রোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ চিকিৎসকদের
তবে হ্যমারে বা জাভলিংয়ে কোন ভাবেই বাংলায় জায়গা করতে পারছিল না সে৷ হ্যামার জ্যাভলিং অনুশীলন একসময় বন্ধ করে দেয় মৌলি। তারপর নতুন অধ্যায় শুরু করে৷ মৌলির আবার মাঠে ফেরা, প্রশিক্ষক সম্পা গুহুর নির্দেশ মত সে শুরু করে পাওয়ারলিফটিং অনুশীলন। মাত্র কয়েক মাস পাওয়ারলিফটিং প্রশিক্ষণ নিয়েই সে যোগদান করে কানপুরে অনুষ্ঠিত সাবজুনিয়র ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ৷ প্রায় ৪০ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে জাতীয় রেকর্ড সোনা জয় মৌলির।
advertisement
মৌলির মা বুলবুলি হালদার জানান, মেয়ে মৌলীকে একজন প্রতিষ্ঠাতা খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার তাঁর আশা। ছোটবেলা থেকে তিনিও খেলতে ভালবাসতেন৷ স্কুল জীবন পর্যন্ত খেলা পাঠ চলে৷ তারপর আর এগোয়নি খেলাধুলা। তবে মেয়ে মৌলির লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে পরিবার এবং তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। শুধু যে তার পরিবার তা নয় পাড়া-প্রতিবেশীরাও উৎসাহিত মৌলিকে নিয়ে। খেলাধুলার পাশাপাশি মৌলি ফিজিক্যাল এডুকেশন নিয়ে পড়াশোনা করছে কলকাতা চারুচন্দ্র কলেজে প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সেপ্টেম্বরে ন্যাশনাল গেমসে যোগদান করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মৌলি। তবে মৌলির স্বপ্ন এশিয়া এবং অলিম্পিকে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
রাকেশ মাইতি





