বাঙালির খাবার তালিকায় জুড়েছে তিব্বত থেকে চাইনিজ তন্দুরি বিরিয়ানি এবং পিৎজা বার্গারের মত বহু খাবার। শহরের পাশাপাশি গ্রামেরও মানুষও এই সমস্ত খাবারে দারুন অভ্যাসে পরিনত করেছে। আসলে এই সমস্ত খাবারের সঙ্গে পরিচিতিটা শপিংয়ে মল বা শহরে কর্মসূত্রে যাবার সুবাদেই শুরু হলেও বর্তমানে এই রকমারি খাবারের টানে মানুষকে ছুটে যেতে হয় শহরে।
advertisement
আরও পড়ুন: শাহজাহানের রাজত্বকাল, শত বছরের প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী মুর্শিদাবাদের এই কামান!
তবে বর্তমানে রকমারি এই খাবার খেতে কসরত করতেও পিছুপা হয় না মানুষ। সপ্তাহ ভোর বা মাস জুড়ে কর্মব্যস্ততার মধ্যে একটু স্বস্তি পেতে। কয়েক ঘন্টার বিরতি মানেই বহু মানুষের কাছে পার্কে ঘোরা বা রেস্টুরেন্ট ঢু মারা। তবে হাওড়ার একটি গ্রামে যেন উল্টো পুরান। পিৎজা বার্গার ক্রিসপি ফ্রায়েড চিকেন-সহ বহু খাবারের ঠিকানা এখন পাঁচলার বাগানগোড়া।
ক্রেতাদের কথায় জানা যায়, ‘‘হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছে বলেই যে এই খাবার খাওয়া, তা কিন্তু নয়। আসলে পিৎজা বার্গার চিকেনের আইটেম এখানে এতটাই সুস্বাদু যার টানে এই স্টলে আসা।’’ অর্ডার দিলে মাত্র কয়েক মিনিটেই ক্রেতা পাচ্ছে গরম পিৎজা। এই শীতের সন্ধায় গরম এই খাবারে টানে দূর দূরান্ত থেকে আসছে ক্রেতা।
ক্রেতা প্রণয় মান্না অভিনব নাগ জানালেন, ‘‘পিৎজা বার্গার সঙ্গে স্ন্যাকস খেতে এখন আর যেতে হয়না কলকাতা। তারপর অর্ডার দিলে চোখের সামনে পিৎজা তৈরি হচ্ছে এটা একজন ক্রেতার কাছে অতিরিক্ত পাওনা। দামের দিক থেকেও পকেট ফ্রেন্ডলি এখানের খাবার। একজনের খরচে অনায়াসে দুই তিনজন খাওয়া যায়।’’ এই প্রসঙ্গে বিক্রেতা সৌরভ দেড়িয়া জানান, একজন বিক্রেতা হিসেবে ক্রেতাদের সন্তুষ্টি করতে পেরে দারুণ আনন্দ লাগে।
তবে আরও বেশি করে আনন্দ হয় যখন দেখি অনেক ক্রেতাই শহরের খাবার ছেড়ে এখানে খেতে আসে। একসময় যারা পিৎজা বা এই ধরনের খাবারের সঙ্গে সেভাবে পরিচিত ছিল না তারাও আসছে এখানে। তবে এর শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। জানা যায়, এই দোকানে বিভিন্ন রকমের পিৎজা বার্গার সহ নানা খাবার মেলে। পিৎজা পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮৫ টাকা থেকে ২১০। ক্রেতাদের কথায় জানা যাচ্ছে, এই পিৎজা হার মানাচ্ছে নামিদামি কোম্পানির পিৎজা কে। এই পিৎজা গ্রামের মানুষের নাগালের মধ্যে।
রাকেশ মাইতি





