TRENDING:

Maju Public Library: দুষ্প্রাপ্য বই আর পুঁথির ভাণ্ডার এই লাইব্রেরি! তাও অচলাবস্থা এই লাইব্রেরির

Last Updated:

প্রায় কয়েক হাজার দুষ্প্রাপ্য বই রয়েছে সংগ্রহে, রয়েছে দেড়শটি পুঁথির ভান্ডার। তারপরেও পাঠকের অভাবে ধুঁকছে মাজু পাবলিক লাইব্রেরি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
হাওড়া: দুষ্প্রাপ্য বই প্রায় কয়েক হাজার, সংগ্রহে দেড়শটি পুঁথির ভান্ডার তাও অচলাবস্থা মাজু পাবলিক লাইব্রেরির।একটা সময় মাজুর কৌশিকী বেলাভূমির দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে টোলচতুষ্পার্টী গড়ে উঠেছিল। রমানাথ ঘোষাল, নিমাইচরণ কবিরত্ন, চুনীলাল বিদ্যাভূষণ, জীবনহরি ঘোষাল, কালিপ্রসন্ন ভট্টাচার্য প্রমুখ ছিলেন পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব। এদের মাধ্যমেই সংস্কৃত ভাষাসাহিত্য ও তুলোট কাগজ বা ভুর্জপত্রে লিখিত পুঁথি সাহিত্যের গৌরব মাজু তথা হাওড়া জেলায় ছড়িয়ে পড়েছিল।
advertisement

যদিও জৎবল্লভপুরে দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের জনক ছিলেন হাফেজপুর গ্রাম নিবাসী শাহ গরীবুল্লাহ। তাঁর লেখা ‘ইউসুফ জোলেখা’, ‘সোনাভাণ’ প্রভৃতির পুঁথি উল্লেখযোগ্য। ডি.প্যাটারসন সাহেব ১৯০২ সালে মাজু পাবলিক লাইব্রেরীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পাঠক পাঠিকাতে ভরপুর ছিল এই গ্রন্থাগার।

আরও পড়ুন ঃ মেডিকেল পড়া ও রিসার্চ এবার হাওড়ায়! চলতি বর্ষে ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু

advertisement

তবে কয়েক বছর হল হাওড়ার এই লাইব্রেরিতে সেভাবে পাঠক পাঠকের আনাগোনা নেই। যদিও এর অন্যতম কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন, তৎকালীন লাইব্রেরি পরিচালন কমিটি উদাসীনতা এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। বর্তমানে জেলায় সমস্ত লাইব্রেরীতে ক্রমশ পাঠক পাঠিকা সংখ্যা কম হওয়ার প্রবণতা এটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

View More

এর অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় পাঠক টেলিভিশন ও স্মার্টফোনমুখী। নতুন প্রজন্মের কাছে এই দুই মাধ্যম অতীব প্রিয়। তাদের কাছে বই আকর্ষণ বা বই পড়ার প্রবণতা সেভাবে দেখা যায় না। ফলত লাইব্রেরি মুখী হওয়ার প্রবণতা ক্রমশ কমছে। তবে শতবর্ষ প্রাচীন হাওড়ার ঐতিহ্যবাহী মাজু পাবলিক লাইব্রেরির বর্তমান সময়ে পাঠক সংখ্যা এত কম হওয়ার প্রধান কারণ পূর্বতন কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা।

advertisement

আরও পড়ুন ঃ ৭ হাজারে শুরু! এখন দিনে ১৪ হাজার! এ কেমন ‘ফালতু চা’! মুখে দিলেই ভাইরাল!

২০১১ সালের পর থেকে যে পরিচালন কমিটি লাইব্রেরির দায়িত্বে ছিল। তাদের উদাসীনতার, অব্যবস্থার ফল ভোগ করছে বর্তমান সময়ের পরিচালন কমিটির সদস্যরা। এ প্রসঙ্গে হাওড়ার মাজু পাবলিক লাইব্রেরির সম্পাদক আনন্দমোহন ভট্টাচার্য জানান, এই বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী করোনার প্রকোপ। যা মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে আধুনিক জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কর্মব্যস্ততার চাপ। সেই সঙ্গে কিছু গাফিলতি রয়েছে তৎকালীন পরিচলন কমিটিরও। যদিও বর্তমানে লাইব্রেরির সদস্য বাড়ানো এবং পাঠক ফেরাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
আম চাষে যত্ন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি! কী কী করলে বাড়বে ফলন, জানালেন কৃষি বিজ্ঞানীরা
আরও দেখুন

রাকেশ মাইতি

বাংলা খবর/ খবর/হাওড়া/
Maju Public Library: দুষ্প্রাপ্য বই আর পুঁথির ভাণ্ডার এই লাইব্রেরি! তাও অচলাবস্থা এই লাইব্রেরির
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল