জানা যায়, ডোমজুড় ব্লকের লক্ষণপুরে গ্রামে বাড়ি। স্থানীয় একটি কারখানায় প্রায় তিন বছর কাজ করত শুভজিৎ ও চৈতালি। একই কারখানায় কাজ সেখান থেকেই সম্পর্ক শুরু গত তিন বছর আগে। শুভজিতের থেকে চৈতালি বয়সে বড় হওয়ায় পরিবারে আপত্তি শুরু হয়। তার জেরেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। সম্পর্কের কথা পরিবার জানতে পারে প্রায় ৬ মাস আগে, সেই থেকে বচসা । আরও জানা যায়, ওইদিন কাজে বের হবার নাম করেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল দু’জনে। কাজে না পৌঁছে আন্দুলের ওই সিনেমা হলে যায়। সেখানেই শো শেষে অচৈতন্য অবস্থায় দু’জকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন কয়েক ঘণ্টা অন্তর দু’জনের মৃত্যু হয়।
advertisement
এদিন দু’জনে সিনেমা দেখতে আসে সাকরাইল থানা এলাকায় আন্দুলের একটি সিনেমা হলে। সিনেমা হলে স্পেশাল দর্শক আসন বা কেবিন রয়েছে। যেখানে আলাদাভাবে বসে সিনেমা দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। সিনেমা শো-তে দুজনে কেবিনের টিকিট কেটে সিনেমা দেখতে এসেছিলেন। শো শেষে অচৈতন্য অবস্থায় দু-জনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেই খবর পেয়ে পৌঁছয় পুলিশ। সিনেমা হল থেকে জনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন দু-জনের অবস্থা সংকটজনক। কিন্তু কোনওভাবেই শেষরক্ষা হল না।
