TRENDING:

Hooghly News: শিক্ষিকার অভাবে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ক্লাস নিচ্ছে প্রাথমিক স্কুলে!

Last Updated:

প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত এই স্কুলটিতে মোট ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে। তাদের পড়াশোনা করাতে তাই মাঝে মধ্যেই চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ক্লাস নিতে বাধ্য হয়

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
হুগলি: গোঘাট-২ বিডিও অফিস থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দুরে মান্দারণ দাসপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। সেখানে নেই কোন‌ও শিক্ষক। ফলে বাধ্য হয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী পড়াচ্ছে কচিকাঁচাদের! এমনই বিরল দৃশ্য ধরা পড়ল আমাদের ক্যামেরায়। বিষয়টি দেখে কেউ বিস্মিত, আবার অনেকেই এই ঘটনা তুলে ধরে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
advertisement

আরও পড়ুন: পরিবারের প্রথা বজায় রাখতে ৮৪ বছরে মাচায় উঠে মা কালীকে রূপদান!

গোঘাটের এই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল, একজন শিক্ষিকা উপস্থিত আছেন, কিন্তু তিনি অন্য ঘরে ক্লাস নিচ্ছে। প্রধান শিক্ষিকা থাকলেও তিনি বিভিন্ন কাজে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে বেড়াতে বাধ্য হন। মাসে কয়েকদিন মাত্র বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত এই স্কুলটিতে মোট ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে। তাদের পড়াশোনা করাতে তাই মাঝে মধ্যেই চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ক্লাস নিতে বাধ্য হয়।

advertisement

View More

এছাড়াও এই প্রাথমিক স্কুলটির মিড ডে মিলে পুষ্টির কোনও বালাই নেই বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। কোনও মাসে ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলের পাতে ডিম জোটে আবার কোন‌ও মাসে ডিমও জোটে না। ছাত্র-ছাত্রীদের কোনদিনই মাংস দেওয়া হয়নি মিড ডে মিলে। কাঠের উনুনে মিড ডে মিলের রান্না হয়ে আসছে বছরের পর বছর। স্কুলের এই বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন সহকারী শিক্ষিকা শ্যামলী রায়। তিনি বলেন, বছরের পর বছর এভাবেই খুদে পড়ুয়াদের দিয়ে পঠন-পাঠন চালাতে হচ্ছে। স্কুলের এরকম বেহাল অবস্থার কারনে অভিভাবকরাও স্কুল পাঠাচ্ছেন না পড়ুয়াদের। এই পরিস্থিতিতে স্কুলে দ্রুত নতুন শিক্ষিকা নিয়োগের দাবি তুলেছেন অভিভাবকরা।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহুরে ভিড় ছেড়ে পাহাড়ে প্রেম!শিলিগুড়ির অদূরে রোম্যান্টিক গেটওয়ে,ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসুন
আরও দেখুন

শুভজিৎ ঘোষ

বাংলা খবর/ খবর/হুগলি/
Hooghly News: শিক্ষিকার অভাবে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ক্লাস নিচ্ছে প্রাথমিক স্কুলে!
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল