যদিও সেই ঘটনার পর তিনি প্রাণে বেঁচে যায়। ঘটনায় কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় গায়িকার দিদি একগুচ্ছ অভিযোগ করেন দেবলীনা নন্দীর স্বামী প্রবাহ নন্দী নামে। তবে সেখানেই থেমে নেই, দেবলীনা নন্দী তাঁর স্বামী প্রবাহ নন্দী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুর থানাতে জানুয়ারি মাসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির 498A ধারায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কিছু মাছ সুস্বাদু হলেও ‘বিষাক্ত’, পারদে ঠাসা কোন মাছ কাদের জন্য খাওয়া বিষের সমান? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
অভিযোগে দেবলীনা জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চলছিল। পারিবারিক অশান্তি ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে। জানুয়ারি মাসে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নোটিস পাওয়ার পরই প্রবাহ নন্দী তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে থানায় হাজিরা দেন। তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই মুহূর্তে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। বধূ নির্যাতনের মামলাটি এখনও আদালতে ওঠেনি, তবে পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে এবং সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ বাঁধাকপি পুষ্টির খনি, কিন্তু কাদের জন্য ‘প্রাণঘাতী’ হতে পারে? ভুল করেও ‘এঁরা’ মুখে তুলবেন না
এদিকে ‘স্ত্রী ধন’ হিসেবে বিয়ের সময় পাওয়া সোনার গয়না, নগদ অর্থ ও কিছু আসবাবপত্র পুলিশি সহায়তায় প্রবাহের বাড়ি থেকে ফেরত পেয়েছেন দেবলীনা। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকছেন। পাশাপাশি, প্রবাহের কাছে খোরপোশ চেয়ে আইনি আবেদনও করেছেন তিনি। ঘটনাকে ঘিরে সংগীত মহল ও অনুরাগীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় পুলিশ এখনই চূড়ান্ত মন্তব্য করতে নারাজ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এ প্রসঙ্গে দেবলীনা নন্দির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।






