Who Slould never eat Fish: কিছু মাছ সুস্বাদু হলেও 'বিষাক্ত', পারদে ঠাসা কোন মাছ কাদের জন্য খাওয়া বিষের সমান? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Who Slould never eat Fish: কিছু ধরণের মাছে পারদের পরিমাণ এবং দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলো কিছু মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
*আমিষ খাবারের মধ্যে মাছের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সবচেয়ে কম। এ কারণেই এটি অনেকের কাছেই প্রিয়। মাছ স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টে সমৃদ্ধ। এ কারণেই নিয়মিত মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তবে, কিছু ধরণের মাছে পারদের পরিমাণ এবং দূষিত পদার্থ রয়েছে। কিছু লোকের জন্য এগুলি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন ধরণের লোকের মাছ খাওয়া উচিত কি না। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*ছোট বাচ্চাঃ ১১ বছরের কম বয়সী শিশুরা পারদের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। যদি তারা পারদযুক্ত মাছ খায়, তাহলে তাদের স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে, তারা নিষ্ক্রিয় এবং অলস হয়ে যেতে পারে। শিশুদের স্যামন, তেলাপিয়া এবং সার্ডিনের মতো মাছ খাওয়ানো ভাল। শিশুদের মাছ খাওয়ানোর সময়, হাড়বিহীন মাছের ফিলেট দেওয়া উচিত। এগুলি সপ্তাহে একবার বা দুবার মাত্র ৩০-৬০ গ্রাম খাওয়ানো উচিত। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*গর্ভবতী মহিলাঃ গর্ভবতী মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট ধরণের মাছ না খাওয়াই ভাল। কিছু ধরণের মাছের পারদ প্লাসেন্টা দিয়ে ভ্রূণে পৌঁছাতে পারে এবং শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশকে প্রভাবিত করতে পারে। তাদের কিং ম্যাকেরেল, হাঙ্গর, টাইলফিশ এবং সোর্ডফিশের মতো মাছ খাওয়া উচিত নয়। তবে চিংড়ি, স্যামন এবং কম পারদযুক্ত মাছ সপ্তাহে ২-৩ বার খাওয়া যেতে পারে (প্রায় ২২৫-৩৪০ গ্রাম)। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*নির্দিষ্ট ধরণের ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরাঃ রক্ত পাতলা হয়, এমন ওষুধ যারা ঝান, তাদের মাছ খাওয়া উচিত নয়। মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে তাদের রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমনকি ছোটখাটো আঘাতও জমাট বাঁধে না, যার ফলে প্রচুর রক্তপাত হয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের ডাক্তারের পরামর্শে সীমিত পরিমাণে মাছ খাওয়া উচিত। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*স্তন্যপান করানো মাঃ যদি স্তন্যপান করানো মায়েরা পারদযুক্ত মাছ খান, তাহলে এটি বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর কাছে পৌঁছাতে পারে এবং তাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। স্তন্যপান করানো মায়েরা স্যামন, সার্ডিন এবং চিংড়ির মতো মাছ খেতে পারেন। এগুলিতে পারদের পরিমাণ কম থাকে। এগুলো মা এবং শিশু উভয়ের জন্যই ভাল। তবে, এই মাছ থেকে ত্বক এবং চর্বি অপসারণ করে রান্না করা ভাল। এটি কিছু রাসায়নিকের প্রভাব কমাতে পারে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*সামুদ্রিক খাবারের অ্যালার্জি রয়েছে এমন ব্যক্তিঃ মাছ বা চিংড়ি খাওয়ার পর কিছু লোকের ত্বকে ফুসকুড়ি এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও এটি অ্যানাফিল্যাক্সিস নামক একটি জীবন-হুমকিস্বরূপ অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে পারে। মাছের 'পারভালবুমিন' নামক প্রোটিন এই অ্যালার্জির কারণ। রান্না বা ভাজার মাধ্যমে এটি ধ্বংস হয় না। তাই সামুদ্রিক খাবারের অ্যালার্জি আছে এমন ব্যক্তিদের ওমেগা-৩ ফ্যাটের জন্য মাছের পরিবর্তে আখরোট, তিসির বীজ এবং চিয়া বীজের মতো উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার খাওয়া উচিত। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিঃ কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা কাঁচা বা কম রান্না করা মাছ খেলে ব্যাকটেরিয়া এবং পরজীবীর কারণে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি থাকে। সমুদ্রের জলে পাওয়া ভিব্রিও ভালনিফিকাসের মতো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া কাঁচা মাছের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে এবং স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই, উচ্চ তাপমাত্রায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রান্না করার পরেই মাছ খাওয়া উচিত। সংগৃহীত ছবি।







