পরিবারের অভিযোগ, শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মানসিক চাপ বাড়তে থাকে তাহিরের। বহু ভোটার নাম বাদ যাওয়া বা ‘বিচারাধীন’ তালিকায় থাকার অভিযোগ নিয়ে তাঁকে ফোন করতে থাকেন। এখানেই শেষ নয়, চূড়ান্ত লিস্টে তাঁর নিজের নামও ছিল ‘বিচারাধীন’ তালিকায়। পরিবারের অভিযোগ, এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মহম্মদ তাহির। পরিবারের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপ ও ঘন ঘন ভোটারদের ফোনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।
advertisement
রবিবার বাড়ির সামনে বসে থাকাকালীন হঠাৎ-ই অসুস্থ হয়ে পড়েন মহম্মদ তাহির। স্থানীয়দের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রতিবেশী নিজামউদ্দিন বলেন, ” বিএলও-র দায়িত্বের পাশাপাশি কয়েকটি বুথের সুপারভাইজার ছিলেন তাহির। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক ফোন আসছিল। অনেকেই নাম বাদ বা সংশোধন সংক্রান্ত অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। তার উপর ওঁর নিজের নামও ‘বিচারাধীন’ ছিল। কমিশনের চাপ, ভোটারদের চাপ… একজন মানুষ আর কত চাপ সহ্য করবে!”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। নেতা মহম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, ” তাহির স্থানীয় মুসলিম ইউপিএস স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ নিয়ে প্রবল চাপে ছিলেন। ভোটারদের ফোন, তালিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা… সব মিলিয়ে মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, সেই চাপ থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাহিরের।”






