দিলীপ ঘোষের কথায়, ‘‘কোর্টে গিয়েছিলেন; কোর্টও বুঝে গেছে। তারাও ছাড়ছে না। এই যে শুদ্ধিকরণ চলছে ভোটার লিস্টে আমরা চাইছি সঠিকভাবে কাজটা হোক। কমিশন আদালত সবাই বোঝে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি। এত বিদেশী লোক ঢুকে গেছে তারা যদি নাগরিক হয়ে যায়! ভোটার হয়ে যায়! তাহলে গণতন্ত্রের কি মানে থাকে। দেশের সুরক্ষা প্রশ্নের মুখে পড়ে যাচ্ছে।’’
advertisement
তাহলে আর কত নাম বাদ পড়তে পারে বলে মনে করছেন দিলীপ ঘোষ? বিজেপি নেতার উত্তর, ‘‘আমরা যেটা আন্দাজ করেছিলাম এক কোটির বেশি ভুয়োনাম আছে সেদিকেই যাচ্ছে। ৬৫ লোকের নাম বাদ গেছে। ৫০ লক্ষ লোককে এস আই আর শুনানিতে ডাকার পরেও আসেনি। এগুলো তো বাদ যাবেই। এরপরেও ৩৫ লক্ষ নাম যেগুলো অনেক ক্ষেত্রে ডিসপিউটেড সেগুলোর থেকেও কিছু নাম বাদ যেতে পারে।’’
জানা গিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে, তাতে নাম থাকবে সাত কোটি ৮ লক্ষ ভোটারেরই। কিন্তু, যে সমস্ত নাম বিচারাধীন, তাঁদের নামে পাশে লেখা থাকবে ‘অ্যাডজুডিকেটেড’৷ এই ‘অ্যাডজুডিকেশনে’র আওতায় কতজনের নাম থাকতে পারে বলে মনে করছেন দিলীপ ঘোষ?
নেতার কথায়, ‘‘দেখুন ৫৮ লক্ষ নাম ফর্ম ফিল আপে বাদ চলে গেছে। তারপরেও দেড় কোটি লোককে নোটিস করা হয়েছে। তার মধ্যে ৫০ লক্ষ লোক আসেনি। কাজেই এক কোটি পনেরো লক্ষ তো গেলই। এরপরেও হিয়ারিং এ নাম বাদ যেতে পারে। বাকি যে সমস্যা রয়েছে ধীরে ধীরে মিটে যাবে। সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বানাবে। যাদের কাছে বৈধ কাগজ আছে, তারা কেউ বাদ যাবে না; ভোটার লিস্টে নাম থাকবে, ভোট দেবে।’’
