এ বারের র্যাঙ্কিংয়ে আইআইটি খড়গপুরের সবথেকে বড় সাফল্য এসেছে মিনারেল এবং মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। এই বিশেষ ক্ষেত্রে বিশ্বের তাবড় সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পিছনে ফেলে দিয়ে ২২ নম্বর স্থানে জায়গা করে নিয়েছে খড়গপুর। প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন শাখায় যে উৎকর্ষের ছাপ এই প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর ধরে বজায় রেখেছে, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি তারই এক বলিষ্ঠ প্রমাণ। উল্লেখ্য, এ বছর ভারত থেকে মোট ৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বতালিকায় ঠাঁই পেয়েছে, যার মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে খড়গপুর আইআইটি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা নেই, দুপুরের বিমানে অন্ডাল যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রায় ১,৯০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১,০০০-এর বেশি বিষয়ের চুলচেরা বিশ্লেষণের পর এই ১৬তম কিউএস র্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধীনে থাকা কম্পিউটার সায়েন্সের ক্ষেত্রেও ভারতের যে ছ’টি প্রতিষ্ঠান প্রথম ১০০-র তালিকায় জায়গা পেয়েছে, সেখানেও আইআইটি খড়গপুরের অবদান অনস্বীকার্য। এ বছর চিন, ব্রিটেন বা আমেরিকার মতো দেশের তুলনায় ভারত থেকে অনেক বেশি সংখ্যক বিষয়ের জন্য আবেদন জানান হয়েছিল, যার মধ্যে খড়গপুরের সাফল্য অন্যতম দিশারি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, খড়গপুর আইআইটির এই উত্তরণ শুধু পশ্চিমবঙ্গের নয়, গোটা দেশের মুকুটে এক নতুন পালক। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার করে আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ় থেকে ন্যাচরাল সায়েন্স— যে চারটি বিভাগে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল, সেখানে ভারতের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের জয়যাত্রায় আইআইটি খড়গপুর এক গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশ্বের সেরা ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় খড়গপুরের এই উজ্জ্বল উপস্থিতি আগামী দিনে দেশের গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষার মানকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।






