শুধু তাই নয়, দেওয়ালে আঁকা সেই সমস্ত লেখা ও চিত্র সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত চলছে পাঠদানও। শিক্ষক-শিক্ষিকারা হাতে-কলমে সেই সব লেখা ও চিত্রের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়বস্তু বোঝাচ্ছেন। ফলে পড়াশোনা তাদের কাছে হয়ে উঠেছে আরও আনন্দদায়ক এবং আগ্রহজনক। পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরের কল্লোলী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এমনই ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
advertisement
বিদ্যালয়ের শিক্ষক বংশী চ্যাটার্জী জানান, “এখানে শিক্ষার পরিবেশ শুধু পাঠ্যসূচির গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। শ্রেণিকক্ষের চারপাশের রঙিন আবহ, ছবির ভাষা ও ভাবনাসমৃদ্ধ উপস্থাপন শিশুদের মনে জাগিয়ে তোলে কৌতূহল। তারা দেখে, চিন্তা করে, প্রশ্ন করে, আর সেই প্রক্রিয়াতেই শেখে নতুন কিছু।” তিনি আরও জানান, আগামী দিনে এই বিদ্যালয়কে মডেল বিদ্যালয় তৈরি করতে চাইছেন তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সার্বিকভাবে বিদ্যালয়কে সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে। দেওয়াল যেন হয়ে উঠেছে নীরব শিক্ষক, যা প্রতিদিন শিশুদের সঙ্গে কথা বলে, তাদের কল্পনাশক্তিকে উসকে দেয় এবং শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে। এই বিদ্যালয় প্রমাণ করেছে, শিক্ষাকে আনন্দের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে তার প্রভাব হয় আরও গভীর ও স্থায়ী। কল্লোলী প্রাথমিক বিদ্যালয় তাই এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যেখানে বিদ্যালয় মানেই শুধু পাঠদান নয়, বরং আনন্দ, সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা ও প্রেরণার এক সুন্দর মেলবন্ধন।





