কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুন্দরবন সংলগ্ন নদীগুলিতে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় মারাত্মকভাবে কমে গিয়েছে মীন বাগদার উৎপাদন। বিশেষ করে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থেকে নির্গত বর্জ্য জল বিভিন্ন নদীপথে এসে এই অঞ্চলের জল দূষিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
advertisement
এক সময় যেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত মীন বাগদা ধরা পড়ত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০০০ থেকে ১৫০০-র মধ্যে। ফলে আয়ের পথ কার্যত সংকুচিত হয়ে পড়েছে। দিনদিন বাড়ছে আর্থিক অনিশ্চয়তা, চাপে পড়ছেন এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। স্থানীয়দের দাবি, নদীর জল ক্রমশ নোংরা হয়ে যাওয়ায় মীন বাগদার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে জীবিকার উপর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী দিনে বাধ্য হয়ে এই পেশা ছাড়তে হবে। পরিবেশ দূষণ রুখতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে এলাকাজুড়ে। না হলে সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের এই ঐতিহ্যবাহী জীবিকা একেবারেই বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।





