একজন প্রাক্তন মন্ত্রী, জঙ্গিপুরের বিধায়ক। অন্য জন সাগরদিঘির বিধায়ক। দুজনেই ২০২৬ এর নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। একজন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন আর অন্যজন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের। দুজনের নামই ছিল এসআইআরের তালিকায় “বিচারাধীন” আওতায়।
advertisement
তবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হতেই হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচলেন দুজনেই। বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকার মাধ্যমে মূল ভোটার লিস্টে নাম জুড়ল জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন, সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের। দুজনেই ২০২৬-এর নির্বাচনেও তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, চূড়ান্ত তালিকা বেরোনোর পর মুর্শিদাবাদের প্রায় ১১ লক্ষ মানুষের নাম ছিল ভোটার তালিকায় “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে”। তাঁর মধ্যেই নাম ছিল এই ২ বিধায়কের। এসআইআরের প্রকাশিত তালিকায় দুজনেরই নাম ছিল বিচারাধীন। তবে সোমবার প্রায় মধ্যরাতে প্রকাশিত হয়েছে বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকা। আর সেই তালিকার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের মাধ্যমেই অবশেষে ভোটার লিস্টে নাম ফিরল দু’জনের।
আরও পড়ুন: শুধুমাত্র ‘ওয়েবসাইটেই’ আজ দেখা যাবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা…, কখন, কী ভাবে দেখবেন? জেনে নিন!
জাকির হোসেন জঙ্গিপুর বিধানসভার ১৯৭ নম্বর অংশের ভোটার। অন্যদিকে বাইরন বিশ্বাস সামসেরগঞ্জ বিধানসভার ১৯ নম্বর অংশের ভোটার। দুজনের নাম সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে থাকায় মনোনয়নে জটিলতা থাকলা না বলেই আশ্বস্ত তৃণমূল। বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকাটি কমিশন সোমবার গভীর রাতে প্রকাশ করেছে।
রাজ্যের প্রতিটি বুথের জন্য আলাদা করে দু’টি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। একটি তালিকায় নিষ্পত্তির পর যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তা উল্লেখ রয়েছে। অপর তালিকায় যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
সাগরদিঘির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক তথা এবছরের বিধানসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস বলেন,”বিজেপি চক্রান্ত করে এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমার নামও প্রথম ভোটার তালিকায় ছিল না। তবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আমার নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে।”
তিনি অভিযোগ করেন,”অন্য রাজ্যেও এসআইআর হয়েছে কিন্তু কোথাও এত জটিলতা তৈরি হয়নি। কার আদেশে, কীভাবে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর হচ্ছে তা ভোটাররা খুবই ভাল করে জানেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্দেশে ‘সাম-দান-দণ্ড-ভেদ’ নীতি ব্যবহার করে ভোটারদের মধ্যে বিভাজন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তা সফল হতে দেবেন না। নির্বাচনী প্রচারে আমি যে ভাবে সাড়া পাচ্ছি তাতে নিশ্চিত বিধানসভার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আগের থেকেও বেশি আসন জিতে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে।”






