সংস্থার উদ্যোগে ওই এলাকাতেই গড়ে তোলা হয়েছে একটি শিক্ষা কেন্দ্র, যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিশু নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শিখছে। শুধু প্রথাগত পড়াশোনা নয়, এখানে নাচ, গান, আবৃত্তি এবং বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুদের সার্বিক বিকাশের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পতিতালয়ের পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের জীবনে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও, ‘উড়ান’-এর এই উদ্যোগ তাদের সামনে খুলে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনার দরজা।
advertisement
সঠিক দিশা এবং শিক্ষার মাধ্যমে তাদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনাই সংস্থার মূল লক্ষ্য। উদ্যোক্তাদের কথায়, এই শিশুদের অনেকেই সুযোগের অভাবে পিছিয়ে পড়ে। আমরা চাই, তারা নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করে স্বনির্ভর হোক এবং সমাজে সম্মানের সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়াক। প্রতিদিনের নিয়মিত চর্চা, ভালবাসা এবং যত্নে এই শিক্ষাকেন্দ্র এখন শুধু পড়াশোনার জায়গাই নয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বরং এই জায়গা একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে শিশুদের কাছে। নৈহাটির এই পাঠশালা ইতিমধ্যেই স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার গল্প। আগামী দিনে এই স্কুল থেকে যদি একটি শিশুও সমাজের মূল স্রোতে মিশে জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তবে সেটাই উদ্যোক্তাদের বড় সাফল্য হবে বলে আশা উড়ানের।






