তাঁর উদ্যোগে বাংলা ভাষায় প্রথমবার প্রকাশিত হয়েছে ওড়িয়া সাহিত্যের ইতিহাস। জানেন কে এই গবেষক? তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার যোগদা সৎসঙ্গ পালপাড়া মহাবিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. মৃণাল কান্তি দাস।
আরও পড়ুন: রোজ পরছেন, বলুন তো জুতোর পেছনে কেন থাকে এই ছোট্ট ‘ফিতে’? ৯৯% লোকজনই জানেন না এই আসল কাজ
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানায় তাঁর জন্ম। কর্মসূত্রে বর্তমানে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা শহরের বাসিন্দা। দারিদ্র্যের মধ্যেও ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় ব্রতী ছিলেন। কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিয়ে যান। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করেন। সেই কৃতিত্বের জন্য পান স্বর্ণপদক। ছাত্রজীবন থেকেই বাংলা সাহিত্য নিয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। পরবর্তীতে সেই আগ্রহই তাঁকে গবেষণার পথে এগিয়ে দেয়। বাংলা ও ওড়িয়া সাহিত্যের মিল ও পার্থক্য নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কাঁথি মডেল ইন্সটিটিউশনে শিক্ষকতা করেন। পরে যোগ দেন যোগদা সৎসঙ্গ পালপাড়া মহাবিদ্যালয়ে। বর্তমানে তিনি সেখানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক। শিক্ষকতার পাশাপাশি গবেষণার কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু সেমিনারে তিনি বক্তৃতা দিয়েছেন ও গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন। তাঁর কাজ বহু শিক্ষাবিদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। তাঁর লেখা “প্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ও নির্বাচিত কবিতাপাঠ”, “আধুনিক বাংলা কবিতা: দিক থেকে দিগন্তরে” এবং “প্রগতি ভাবনা বাংলা কবিতা ও ওড়িয়া কবিতা” বইগুলি পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে।
সম্প্রতি তিনি বাংলায় প্রথমবারের মত ওড়িয়া সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা সাহিত্য আকাদেমি ও এগরা মহকুমা বইমেলা-সহ বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করে চলেছেন।





