এর মাধ্যমে এতদিন যাঁরা শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পেতেন, সেই প্রথা ভেঙে কলা ও বাণিজ্য বিভাগের ছাত্রছাত্রীরাও এবার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। আধুনিক কর্মক্ষেত্রের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তৈরি এই পাঠক্রম বাঁকুড়া ও আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের কাছে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।
এই কোর্সগুলির আরেকটি বড় আকর্ষণ হল তাদের সাশ্রয়ী ফি কাঠামো। চার বছরের BBA কোর্সের মোট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১,৩২,৩০০ টাকা এবং BCA কোর্সের মোট ফি ১,৭৬,৩০০ টাকা। বর্তমান সময়ে যেখানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পেশামুখী কোর্সের খরচ কয়েক লক্ষ টাকার ঘরে পৌঁছে যায়, সেখানে এত কম খরচে এই ধরনের শিক্ষা পাওয়া নিঃসন্দেহে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে বড় স্বস্তির খবর। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও দক্ষতা ভিত্তিক কোর্স চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভারত-ভুটান যোগাযোগ মজবুত করতে ডুয়ার্সে নতুন রেলপথ, পর্যটন ও সামরিক পরিবহণে বড় সুবিধার আশা
অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিবেকানন্দ স্কলারশিপের সুবিধা। উচ্চমাধ্যমিকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর এবং অভিভাবকের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার নিচে হলেই এই স্কলারশিপ পাওয়া যাবে। এর ফলে বহু ছাত্রছাত্রী যাঁরা শুধুমাত্র আর্থিক সমস্যার কারণে উচ্চশিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়তেন, তাঁরাও এবার নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে এগোতে পারবেন। ইতিমধ্যেই নতুন কোর্সগুলিকে ঘিরে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষায় এবার রচনা কোন কোন বিষয়ে আসতে পারে? রইল শেষ মুহূর্তের সাজেশন
কলেজ কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, এই কোর্সগুলির পাঠক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অভিজ্ঞ অধ্যাপকরা, যাঁরা আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠদান করবেন। তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে, যাতে পড়াশোনা শেষে ছাত্রছাত্রীরা কর্মক্ষেত্রে সহজেই নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে। সব মিলিয়ে, বাঁকুড়া উন্নয়নী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এই উদ্যোগ জেলায় উচ্চশিক্ষার মানচিত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে।





