advertisement

Indian Railways: Indian Railways: ভারত-ভুটান যোগাযোগ মজবুত করতে ডুয়ার্সে নতুন রেলপথ, পর্যটন ও সামরিক পরিবহণে বড় সুবিধার আশা

Last Updated:
Indian Railways: ডুয়ার্সে পর্যটন ও সীমান্ত যোগাযোগ বাড়াতে চাপরামারি জঙ্গল সংলগ্ন নতুন রেলপথের উদ্যোগ। চালসা–নক্সাল প্রায় ২০ কিমি রেললাইন ভুটান ও ডোকলাম সীমান্তে যোগাযোগ, পর্যটন ও সামরিক পরিবহণে গতি আনবে।
1/6
ডুয়ার্সের পর্যটন মানচিত্রে আরও একধাপ গুরুত্ব বাড়াতে চলেছে প্রস্তাবিত নতুন রেল পরিষেবা। চাপরামারি জঙ্গলের গা ঘেঁষে ভারত–ভুটান–চিন সীমান্তে নতুন রেলপথ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
ডুয়ার্সের পর্যটন মানচিত্রে আরও একধাপ গুরুত্ব বাড়াতে চলেছে প্রস্তাবিত নতুন রেল পরিষেবা। চাপরামারি জঙ্গলের গা ঘেঁষে ভারত–ভুটান–চিন সীমান্তে নতুন রেলপথ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
advertisement
2/6
ঝালং ও বিন্দুর মতো পার্বত্য এলাকার পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি মূলত ভারত–চিন সীমান্তের ডোকলাম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুগম করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
ঝালং ও বিন্দুর মতো পার্বত্য এলাকার পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি মূলত ভারত–চিন সীমান্তের ডোকলাম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুগম করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
advertisement
3/6
জানা গিয়েছে, প্রথম ধাপে প্রায় ২০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী ডুয়ার্সের চালসা থেকে ভুটান সীমান্তবর্তী নক্সাল পর্যন্ত রেললাইন বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে জলপাইগুড়ির সাংসদ ডা. জয়ন্তকুমার রায়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
জানা গিয়েছে, প্রথম ধাপে প্রায় ২০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী ডুয়ার্সের চালসা থেকে ভুটান সীমান্তবর্তী নক্সাল পর্যন্ত রেললাইন বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে জলপাইগুড়ির সাংসদ ডা. জয়ন্তকুমার রায়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
advertisement
4/6
নতুন রেলপথের পরিকল্পনায় যথেষ্ট আশাবাদী উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জোনাল রেলওয়ে ইউজার্স কনসালটেটিভ কমিটির সদস্য পার্থ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই রেলপথ গড়ে উঠলে ভারত-ভুটান সীমান্তে আন্তর্জাতিক পর্যটন ব্যবসায় ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পাশাপাশি স্থানীয় পার্বত্য এলাকার মানুষের যাতায়াতের পথ আরও সহজ ও স্বচ্ছন্দ হবে।
নতুন রেলপথের পরিকল্পনায় যথেষ্ট আশাবাদী উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জোনাল রেলওয়ে ইউজার্স কনসালটেটিভ কমিটির সদস্য পার্থ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই রেলপথ গড়ে উঠলে ভারত-ভুটান সীমান্তে আন্তর্জাতিক পর্যটন ব্যবসায় ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পাশাপাশি স্থানীয় পার্বত্য এলাকার মানুষের যাতায়াতের পথ আরও সহজ ও স্বচ্ছন্দ হবে।
advertisement
5/6
অন্যদিকে, পর্যটন ব্যবসায়ী অলক চক্রবর্তী এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, “উন্নয়ন হোক, কিন্তু জঙ্গল, পাহাড় ও নদীকে বাঁচিয়ে। কারণ প্রকৃতি না বাঁচলে ডুয়ার্সের পর্যটন শিল্পও টিকে থাকবে না।”
অন্যদিকে, পর্যটন ব্যবসায়ী অলক চক্রবর্তী এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, “উন্নয়ন হোক, কিন্তু জঙ্গল, পাহাড় ও নদীকে বাঁচিয়ে। কারণ প্রকৃতি না বাঁচলে ডুয়ার্সের পর্যটন শিল্পও টিকে থাকবে না।”
advertisement
6/6
এই নতুন রেলপথ চালু হলে ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ যেমন আরও মজবুত হবে, তেমনই ভারত–চিন ডোকলাম সীমান্ত এলাকায় সামরিক পরিবহণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে জঙ্গলঘেরা এলাকায় রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশপ্রেমীরা। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে উন্নয়ন সম্ভব কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।
এই নতুন রেলপথ চালু হলে ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ যেমন আরও মজবুত হবে, তেমনই ভারত–চিন ডোকলাম সীমান্ত এলাকায় সামরিক পরিবহণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে জঙ্গলঘেরা এলাকায় রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশপ্রেমীরা। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে উন্নয়ন সম্ভব কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।
advertisement
advertisement
advertisement