আর এই আনন্দেই মেতে উঠেছে বাঙালি মন। পাশাপাশি, বাঙালির বড়ই প্রাণের জিনিস আলপনা। বহু শিল্পীরা তাদের হাতের জাদু এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে এক অন্য রূপে ফিরিয়ে দিয়েছে শহরের রাস্তা। তাই উৎসবের আমেজে দিনগুলো আনন্দে ভরিয়ে তুলতে আলপনায় সেজে উঠেছে মণ্ডপের বাইরের রাস্তা।
আরও পড়ুন: জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খুললেই মিলছে নগদ ৩০০০ টাকা! ভিড় ডাকঘরে, আসল ব্যাপার হল…
advertisement
প্রসঙ্গত, পুজোর বাদ্দি বাজতেই শহরবাসী যেন চিনল এ এক অন্য শহরকে৷ পুজোর এই আবহে সেজে উঠেছে গোটা শহর। বালুরঘাটের রাস্তা সেজে উঠেছে বাহারি আলপনায়৷ কালো পিচের রাস্তায় যেন অসংখ্য রঙিন ফুল, নকশা, এমনকি পাখা মেলেছে অসংখ্য রঙিন প্রজাপতি৷
জানা গেছে, বাঙালিকে এই শহরের রঙিন রাস্তা উপহার দেওয়ার উদ্যোগে অন্যতম অংশীদার প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তারা।এক অসামান্য দৃশ্যকল্পও তৈরি হয়েছে শহরজুড়ে।
পিচ ঢালা প্রায় কয়েক কিলোমিটার রাস্তা রঙিন আলপনায় সাজিয়ে তুলেছে শিল্পীরা। তাদের হাতের তুলির টানে গোটা রাস্তা যেন একটা আস্ত ক্যানভাস তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য আলপনা শিল্প ক্রমশ বিলুপ্তির পথে।ঘরে ঘরে গেলেই দেখতে পাওয়া যায় প্লাস্টিকের তৈরি আলপনার স্টিকার। যেকোনও পুজো পার্বনেই এখন কদর বেশি এই প্লাস্টিকের আলপনার। দাম যেমন কম, তেমন সময় কম। তাই মানুষজন এখন আর সময় খরচ করে যত্ন সহকারে আলপনা দেওয়ার সময় টুকু বের করতে চান না।
সুস্মিতা গোস্বামী





