TRENDING:

Tapan Dighi: অস্তিত্বের সঙ্কটে ঐতিহাসিক তপনদিঘি! আগাছার গ্রাসে মৃতপ্রায়, পর্যটন মানচিত্র থেকে কি হারিয়ে যাবে দক্ষিণ দিনাজপুরের সম্পদ?

Last Updated:

Tapan Dighi: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ঐতিহাসিক সম্পদ তপনদিঘি বিপদের মুখে। কচুরিপানা ও আগাছায় ঢেকেছে দিঘি। পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা কমেছে। অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে তপনদিঘি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
তপন: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম হল তপনদিঘি। একসময়ে টলটলে জল থাকত দিঘিতে। কিন্তু আজ তা কচুরিপানা ও আগাছায় ছেয়ে গিয়েছে। সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগছে ঐতিহাসিক তপনদিঘি।
অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে তপনদিঘি।
অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে তপনদিঘি।
advertisement

পাল বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনের স্মৃতি বিজড়িত তপনদিঘি মৃতপ্রায় অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রায় ৮৫ একর আয়তনের বিশাল জলাশয়টি পুরু কচুরিপানা এবং নানা প্রকার জলজ আগাছায় ঢেকে গিয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি দিঘি নাকি কোনও সবুজ মাঠ। দিঘির জল কার্যত অদৃশ্য। দিঘির জল কচুরিপানা ও আগাছায় ছেয়ে যাওয়ায় মাছ চাষেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগাছার দাপটে জলে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় মাছের মড়ক দেখা দিয়েছে। দিঘির জলে জাল ফেলতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা।

advertisement

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের ৩ কোটি বকেয়া! বিধানসভার মুখে বেঁকে বসেছেন ঠিকাদাররা, নির্বাচনের কাজ হবে কী করে? চাপে জেলা প্রশাসন

জানা যায়, পাল বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেন তাঁর পূর্বপুরুষদের তর্পণ করার জন্য এই দিঘিটি খনন করেছিলেন। ‘তর্পণ’ থেকেই ‘তপন’ নামের উৎপত্তি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্র আজ ইতিহাসের পাতায় বিলীন হওয়ার পথে। সংস্কারের অভাবে জরা ব্যাধিতে ভুগছে দিঘিটি। যার ফলে এলাকার বাস্তুতন্ত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এলাকায় পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। পর্যটকরা এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। কারণ দিঘির পাড়ে বসার পরিবেশ থাকলেও জলের দেখা নেই।

advertisement

আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ গড়তে দৃষ্টান্ত শিক্ষকের! অবসরের মুখে নিজের অর্থে স্কুল প্রাঙ্গণে মনীষীদের মূর্তি স্থাপন, দেখুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ননদ বৌদির লড়াই দেখবে বাগদা! সম্পর্ক ঘরে রেখে ভোট ময়দানে মধুপর্ণা-সোমা! কী বলছেন প্রতিপক্ষরা?
আরও দেখুন

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে দিঘি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা যথেষ্ট নয়। জেলার ঐতিহাসিক সম্পদকে রক্ষা করতে হলে প্রশাসনকে দিঘিটি সম্পূর্ণরূপে সংস্কার করতে হবে। কচুরিপানা, আগাছা সাফ করে পাড় নতুন করে বাঁধাতে হবে। প্রশাসন কড়া হাতে সেই পদক্ষেপ না নিলে জেলার মানচিত্র থেকে অচিরেই হারিয়ে হাবে তপনদিঘি।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Tapan Dighi: অস্তিত্বের সঙ্কটে ঐতিহাসিক তপনদিঘি! আগাছার গ্রাসে মৃতপ্রায়, পর্যটন মানচিত্র থেকে কি হারিয়ে যাবে দক্ষিণ দিনাজপুরের সম্পদ?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল