স্থানীয় বাসিন্দা দীপিকা রায়ের অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই জল আসে না। আর যদিওবা আসে তাও ৩-৪ দিন অন্তর। ওইটুকু জল কে আগে জল নেবে তা নিয়ে এলাকার লোকজনের মধ্যেই বচসা বেঁধে যায়। এলাকায় পানীয় জলের ট্যাপকলের সংখ্যাও সীমিত। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতির সমাধানের জন্য ট্যাপকল আরও বেশি পরিমাণে বসাতে হবে।
আরও পড়ুন: রাজার নির্দেশে ব্যতিক্রম ঘটেছিল, আজও দোলের পরের দিন রং খেলা হয় এখানে
advertisement
এই পরিস্থিতিতে সমস্যার সমাধানের জন্য পঞ্চায়েত ভোটকে সময়সীমা হিসেবে বেঁধে দিয়েছেন স্থানীয়রা। জানিয়েছেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এখানকার জলের সমস্যার সমাধান করে ফেলতে হবে। না হলে তাঁরা ভোট বয়কটের পথেও হাঁটতে পারেন।
এই জলকষ্ট নিয়ে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এলাকায় একটি নতুন রিজার্ভার তৈরি করা হচ্ছে। সেখান থেকে একসঙ্গে বহু মানুষ জল নিতে পারবেন। তবে তার জন্য আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। এত দ্রুত এই কাজ সম্পন্ন হবে না। তবে তাঁরা ভোটের আগেই ওই রিজার্ভার চালু করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানানো হয়।
সার্থক পণ্ডিত





