রাজ্যে প্রথমবারের জন্য শুরু হল উন্নত প্রজাতির আনারস চাষ। জলপাইগুড়ির মোহিতনগরের হর্টিকালচার দফতরের পুরানো খামারে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে এম ডি ২ প্রজাতির আনারস চাষের পাইলট প্রকল্প। এই জাতের আনারস অত্যন্ত মিষ্টি ও রসাল। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ বিঘা জমিতে রোপণ করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার চারা। পরবর্তী ১৫ মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সফল হলে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কৃষকদের এই উন্নত জাতের আনারস চাষে উৎসাহিত করা হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে স্বপ্নের পিচে! সোনাইয়ের সফটবলের মাঠ জয়ের আবাক করা গল্প
হর্টিকালচার দফতরের সহকারী অধিকর্তা খুরশিদ আলম জানান, দেশীয় আনারসের তুলনায় এম ডি ২ প্রজাতির আনারস সবদিক থেকে উন্নত। এতে অ্যাসিডের পরিমাণ মাত্র ০.৪ শতাংশ, চোখের মতো অংশ থাকে না এবং মিষ্টতার পরিমাণ প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রতি ফলের ওজন গড়ে দেড় থেকে দু’ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই চারা গুলি টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তৈরি। খোলা জমি এবং বড় গাছের ফাঁকে মিলিয়ে দুই বিঘা জমিতে রোপণ করা হয়েছে চারা।
উপ-অধিকর্তা অলোক মন্ডল জানান, এই উন্নত আনারস শুধু রাজ্যের বাজারেই নয়, ভবিষ্যতে রাজ্যের বাইরেও রফতানি করা সম্ভব হবে।দফতরের মতে, দেশীয় জাতের আনারসের মিষ্টতা কম হওয়ায় এবং ফলন আশানুরূপ না হওয়ায় এই নতুন প্রজাতি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে উত্তরবঙ্গের কৃষি-অর্থনীতিতে এই উন্নত জাতের আনারস বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেই আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহলসুরজিৎ দে





