বসুন্ধরা নার্সারির উদ্যোক্তা শাহরুখ ইসলাম জানান, “প্রায় আড়াই বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র দুটি কোকো গাছ লাগিয়েছিলাম। আশ্চর্যের বিষয়, এখন সেই গাছেই ভাল ফলন হয়েছে এবং আমরা কোকো বিক্রি করছি বাজারে ও অনলাইনে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়। এখন চারা তৈরি করে এই চাষ বড় আকারে করার পরিকল্পনা আছে।” প্রতিটি মাঝারি গাছ থেকে সিজনে ২৫–৩০ কেজি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়, এবং সারা বছরই গাছে ফল ধরে।
advertisement
শুকনো কোকো বীজ থেকে তৈরি হয় কোকো বীন, যা দিয়ে বানানো হয় চকলেট, কোকো মাখন, আইসক্রিম, রুটি, এমনকি প্রসাধনী পর্যন্ত। উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এলাকার আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণ কোকো চাষের জন্য খুবই উপযুক্ত। সরাসরি রোদ না পেলে এই গাছ ভাল জন্মে, তাই ছায়াযুক্ত স্থান বা ছাদবাগানেও সহজে লাগানো যায়।
শাহরুখ বলেন, “দুইটি গাছ থেকেই যখন এভাবে বিক্রি হচ্ছে, তখন বড় পরিসরে চাষ করলে কৃষকরা আরও ভাল আয় করতে পারবেন। ভবিষ্যতে এখান থেকে স্থানীয় কোকো বাজার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছি।” চকলেটের গন্ধে এখন বসিরহাটের মাটিতেও লেগেছে মিষ্টি সম্ভাবনার সুবাস — ছোট উদ্যোগ থেকেই শুরু হতে পারে বাংলার কোকো বিপ্লব।





