আরও পড়ুন ঝমঝমিয়ে বৃষ্টির মধ্যে জঙ্গলে বেড়ানোর ইচ্ছে সফল হতে পারে! বিশেষ উদ্যোগ প্রশাসনের
রমরমিয়ে বারুদের ব্যবসা চালানোর অভিযোগ যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে উঠেছে তিনি হলেন মুজিবর শেখ। তিনি বীরভূমের দুবরাজপুর থানার অন্তর্গত বোধগ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের কাছে আগে থেকেই খবর ছিল এবং পুলিশ তার সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসেছিল। তাকে ধরার জন্য দুবরাজপুর থানার পুলিশের তরফ থেকে তিনটি টিম তৈরি করা হয়। এরপর তাকে গত শনিবার অজয় নদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, পাঁচ ছয় মাস ধরে ওই ব্যক্তির খোঁজ চালানো হচ্ছিল। তারপর তাকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
advertisement
ওই ব্যক্তিকে শনিবার গ্রেফতার করার সময় তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ কেজি বোমা তৈরীর বারুদ। এরপর পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তার থেকে উদ্ধার করা হল নয়টি আগ্নেয়াস্ত্র। উদ্ধার হওয়া এই সকল আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে তিনটি সিঙ্গেল শাটার, একটি ডবল শাটার, পাঁচটি মাস্কেট এবং ১০ রাউন্ড গুলি।
বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার জানান, ধৃত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে। সেই জন্য তাকে ধরার পরিপ্রেক্ষিতে দুবরাজপুর থানার পুলিশ আলাদা করে টিম গঠন করে।
তবে প্রশ্ন হল, এই বিপুলসংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্র অথবা বোমা বারুদ কোথায় সরবরাহ করা হতো? এই প্রশ্নের উত্তরে বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী জানান, কোথা থেকে এগুলি আনা হত এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হত তা সম্পর্কে আমরা জানার জন্য ধৃত ব্যক্তিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করছি।
অন্যদিকে সোমবার সকালে মাড়গ্রাম থানা এলাকায় ঋষি মন্ডল নামে যে ব্যবসায়ীকে গুলিবিদ্ধ করা হয় সেই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানান বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার। বাকি আরও একজনের খোঁজ চালানো হচ্ছে এবং তাকে খুব দ্রুত ধরে ফেলা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মাধব দাস





