বাঁকুড়ার বড়জোড়া, সোনামুখী ও গঙ্গাজলঘাঁটি এই তিনটি ব্লকের বিভিন্ন জঙ্গল মিলিয়ে এখন মোট ৭৪ টি হাতি আছে। দিনের বেলায় হাতির দল জঙ্গলের ভেতর গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও সন্ধে হলেই খাবারের খোঁজে তারা লোকালয়ে হানা দিচ্ছে। হাতির দলের তাণ্ডবে বিঘের পর বিঘে জমির আলু সহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন। হাতি গ্রামবাসীদের বাড়িও তছনছ করে দিচ্ছে। সাবাড় করে দিচ্ছে সারা বছরের জন্য সংগ্রহ করে রাখা খাদ্য শষ্য। মাঝেমধ্যে হাতির দলের মাঝে পড়ে প্রাণহানীর মতো ঘটনাও ঘটছে । এই পরিস্থিতি জীবন ও জীবিকা নিয়ে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন ওই তিনটি ব্লকের জঙ্গল লাগোয়া অসংখ্য গ্রামের মানুষের। ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: মধ্যযুগীয় বর্বরতা! নাবালিকার 'চরিত্র' নিয়ে প্রশ্ন তুলে চুল কেটে নিল প্রতিবেশীরা
এই পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীদের একমাত্র সহায় হতে পারতো বন দফতর। কিন্তু অভিযোগ, হাতির তাণ্ডব ঠেকাতে নির্বিকার বন দফতর। তারা কোনও কার্যকরী পদক্ষেপই করছে না। এই পরিস্থিতিতে বন দফতরের অফিসে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের পথে হাঁটতে একপ্রকার বাধ্য হয় এলাকার মানুষ। এদিকে গ্রামবাসীদের আন্দোলনের মুখে পড়ে হাতিগুলিকে অন্যত্র সরানোর ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বন দফতর।
প্রিয়ব্রত গোস্বামী





