সন্ধ্যে নামার বা গভীর রাতের অপেক্ষায় আর থাকছে না তারা। দলবল নিয়ে সাতসকালেই গ্রামের পথে হাজির হচ্ছে হাতির দল। চিন্তা বেড়েছে জেলাবাসীদের। হাতির আগমনের দুটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে মঙ্গলবার সকালে।
#আলিপুরদুয়ার : সন্ধ্যে নামার বা গভীর রাতের অপেক্ষায় আর থাকছে না তারা। দলবল নিয়ে সাতসকালেই গ্রামের পথে হাজির হচ্ছে হাতির দল। চিন্তা বেড়েছে জেলাবাসীদের। হাতির আগমনের দুটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে মঙ্গলবার সকালে। ভোরের কুয়াশা কাটিয়ে সূর্যের আলোতে ভরে উঠেছে চারিদিক। এমন সময়ই তোপসিখাতা ও পাটকাপাড়া চা বাগানে ধুলো উড়তে দেখা যায়। প্রথমে কি হচ্ছে বুঝতে পারছিলেন না শ্রমিকরা। পরে আওয়াজ শুনে বুঝতে পারেন চা বাগানে দলবল নিয়ে হাজির হয়েছে হাতির দল। চারিদিকে ধুলো উড়িয়ে পঞ্চাশ থেকে ষাটটি হাতি।
advertisement
যা দেখে কাজ শিকেয় উঠে যায় শ্রমিকদের। এতগুলো হাতি একসঙ্গে দেখতে ছুটে আসেন সকলে। বন দফতরের কর্মীরা না আসায় হাতিগুলিকে অন্যত্র চলে যেতে সাহায্য করে। হাতিগুলি চলে গেলে কাজে যোগদান করে শ্রমিকরা। কিন্তু এলাকায় চাপা আতঙ্ক এখনও রয়েছে। এদিকে সকাল থেকেই আলিপুরদুয়ার জেলায় হাতির হানায় ক্ষতিগ্রস্ত আলু ক্ষেত। চিন্তিত কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে এদিন ভোরে পশ্চিম মাদারিহাট এলাকায়।
গতকাল গভীর রাতে ১৮ থেকে ২০ টি হাতির দল পশ্চিম মাদারিহাট এলাকায় প্রবেশ করে হাতির দল। এলাকার বাসিন্দা আলিমুল হকের তিন বিঘা জমির আলু ক্ষেত নষ্ট করে দেয়। এলাকার এক কৃষক জানান, চোখের সামনে হাতি এসে ক্ষেত নষ্ট করে গেল। বনদফতরের কর্মীরা এলো।কিন্তু হাতি যেদিকে সেদিকে না গিয়ে অন্য দিকে খুঁজছিল। এভাবে চলতে থাকলে কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।