Birbhum News: শান্তিনিকেতনের পথে পথে ড্রপগেট-ব্যারিকেড! বন্ধ স্বাভাবিক যাতায়াত, কারণ জানালো বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ
- Reported by:Souvik Roy
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Birbhum News: রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে এবার ড্রপগেট বাধা! বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের একাধিক রাস্তায় ড্রপগেট বসানোয় পর্যটক ও স্থানীয়দের যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়েছে। যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি অন্য।
লাল মাটির জেলা বীরভূম আর এই বীরভূম জেলার মধ্যে অবস্থিত অন্যতম এক শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। প্রত্যেকদিন এখানে শুধুমাত্র দেশের নয় বরং বিদেশ থেকেও পর্যটকেরা ছুটে আসেন কবিগুরুর টানে। আর এই বোলপুর শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লী এলাকায় একাধিক জায়গায় ব্যারিকেড এবং ড্রপগেট বসিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
advertisement
আর এর ফলেই পর্যটকেরা অনেক সময় হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যদিও এই বিষয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকলের নিরাপত্তা কথা মাথায় রেখে এই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রথমে পূর্বপল্লীর মেলার মাঠ ঘিরে ফেলা হয়, এরপরে উপাচার্যের বাসভবন যাওয়ার রাস্তায় ড্রপগেট বসানো হয়েছে।
advertisement
ঠিক এমন ভাবে ধীরে ধীরে বোলপুরের দমকল অফিস যাওয়ার রাস্তা ঘিরে ফেলা হয়। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বীরভূমের জেলাশাসকের কাছে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, বোলপুর শহরের এমন ঠিক সাতটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে, এর ফলে পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকটা ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
advertisement
এই ব্যারিকেড বসানোর ফলে বিশেষ করে প্রবীণ এবং হুইল চেয়ার ব্যবহারকারীদের অসুবিধা হচ্ছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে জরুরি পরিষেবা যেমন অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকল গাড়িকেও দীর্ঘক্ষণ ঘুরে তারপরে গন্তব্যস্থলে যেতে হচ্ছে। জেলাশাসকের কাছে এলাকার বাসিন্দারা আবেদন জানিয়েছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য।
advertisement
এ বিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক আতিগ ঘোষ জানান, "বিশ্বভারতীর সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই ড্রপ গেটগুলি বসানো হয়েছে, এই রাস্তাগুলি গন্তব্যস্থল পৌঁছনোর জন্য একমাত্র রাস্তা নয়, এর বিকল্প রাস্তাও রয়েছে"। যদিও কয়েকদিন আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, 'বিশ্বভারতীর কোয়ার্টারে চুরির ঘটনা বন্ধ করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।' (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)







