আবার অপেক্ষার একবছর! ফিরে যাবেন বড় মা, ২১ ফুটের প্রতিমার নিরঞ্জন হয় কীভাবে, জানলে চমকে যাবেন
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Kali Puja 2025 : পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্যতম প্রাচীণ কালী হল বড়বেলুনের মা বড়মা। প্রায় ৭০০ বছরের পুরানো এই পুজো। বুধবার হবে মায়ের বিসর্জন।
পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্যতম প্রাচীণ কালী হল বড়বেলুনের মা বড়মা। প্রায় ৭০০ বছরের পুরানো এই পুজো। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকে বড়বেলুন গ্রাম। যদিও আগে এই গ্রামের নাম ছিল বিল্বপত্তন। জানা যায়, এই গ্রামে পুজোর সূচনা করেছিলেন সাধক ভৃগুরাম। এছাড়াও এখন যে জায়গায় দেবী রয়েছেন সেই জায়গা নাকি আগে শ্মশান ছিল। <strong>(তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)</strong>
advertisement
প্রায় ৭০০ বছর আগে কেতুগ্রামের বহুলা পীঠ থেকে ভৃগুরাম এসেছিলেন এই এলাকায়। গ্রামে সকলের কাছে এই ভৃগুরামের পরিচয় ছিল বুড়োগোঁসাই নামে। বর্তমানে ওই ভৃগুরামের বংশধররাই এই পুজো করে আসছেন । পুজোর বিশেষ কিছু নিয়ম রীতিও রয়েছে। ঘট অন্য জায়গা থেকে আনা হয় না। ঘট এখানেই তৈরি করা হয়। সেই ঘট পুজোর পরে সারা বছর পুজো করা হয় । মায়ের ভোগে মাছ দেওয়া হয়। তান্ত্রিক মতে হয় মায়ের পুজো । পরিবারের বয়স্ক মানুষরা আগে পুজো করেন তারপর অন্যান্যরা করতে পারেন । এই রকম ছোট ছোট আরও বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে।
advertisement
তবে পুজো শেষে আজ বুধবার হবে মায়ের বিসর্জন। মন্দির থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এক পুকুর, সেখানেই হবে মায়ের বিসর্জন। আর মা বড়মার এই বিসর্জন দেখার জন্য বড়বেলুন গ্রামে ভিড় জমান লক্ষাধিক মানুষ। ভিন রাজ্য থেকেও আসেন দর্শনার্থীরা। বড়বেলুন বড়কালী স্টেটের একজন সেবাইত দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য বলেন, "লোহার সাগরে করে মা কে নিয়ে যাওয়া হয়। লক্ষাধিক মানুষের ভিড় হয়। পুকুরের চারপাশে কালো মাথা ছাড়া কিছু দেখা যায়না এত ভিড় হয়।"
advertisement
বড়বেলুনের বড়মায়ের উচ্চতা করা হয়েছে ২১ ফুট । এমনকি মায়ের যে জিভ রয়েছে সেটা তৈরি হয়েছে আস্ত একটা কুলো দিয়ে। বাঁশের ভারা লাগিয়ে ঠাকুর তৈরি করা হয়। এছাড়াও চক্ষুদান, অলংকার পরানো সবই হয় বাঁশের ভারার ওপর চেপেই। বড়বেলুনের মা বড়মায়ের এই পুজো দেখতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন রাজ্য থেকেও অনেকে আসেন।
advertisement
পুজোর দিন রাতে মন্দিরের সামনে পা ফেলার জায়গা থাকেনা। তবে সবথেকে বেশি ভিড় হয় মায়ের বিসর্জনের দিন। আজ বুধবার বিকেলে হবে মায়ের বিসর্জন। ইতিমধ্যেই গ্রামে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মানুষ। রয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বড়মার জন্য আজকের পর আবারও আগামী বছরের জন্য অপেক্ষায় থাকবেন অনেকেই। <strong>(তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)</strong>









