advertisement

Harmful Chicken Parts: সাবধান! ভুলেও চিকেনের এই টুকরোগুলি খাবেন না! সর্বনাশ হয়ে বারোটা বাজবে শরীরের

Last Updated:
Harmful Chicken Parts: মুরগির মাংস প্রোটিনের একটি ভাল উৎস, কিন্তু আপনি কি জানেন যে মুরগির সব অংশই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়? অনেকেই চিন্তা না করেই প্রতিটি অংশ খেয়ে ফেলেন, অন্যদিকে কিছু অংশে ব্যাকটেরিয়া, অতিরিক্ত চর্বি এবং বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে পারে। আপনি যদি মুরগি খান, তাহলে মুরগির কোন অংশ এড়িয়ে চলা উচিত এবং কেন তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
1/6
মুরগির মাংসের প্রতি ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই, তবে স্বাস্থ্যের দিক থেকে, কোন মুরগির অংশগুলি উপকারী এবং কোনগুলি এড়িয়ে চলা উচিত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও, স্বাদ বা অভ্যাসের কারণে, লোকেরা মুরগির অংশগুলি খেয়ে ফেলে যা ক্ষতিকারক হতে পারে। ভুল অংশগুলি খাওয়ার ফলে সংক্রমণ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং হজমের সমস্যা হতে পারে। বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ এডউইনা রাজ।
মুরগির মাংসের প্রতি ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই, তবে স্বাস্থ্যের দিক থেকে, কোন মুরগির অংশগুলি উপকারী এবং কোনগুলি এড়িয়ে চলা উচিত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও, স্বাদ বা অভ্যাসের কারণে, লোকেরা মুরগির অংশগুলি খেয়ে ফেলে যা ক্ষতিকারক হতে পারে। ভুল অংশগুলি খাওয়ার ফলে সংক্রমণ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং হজমের সমস্যা হতে পারে। বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ এডউইনা রাজ।
advertisement
2/6
মুরগির স্কিন বা চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট এবং ক্যালোরি থাকে। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা দীর্ঘ সময় ধরে খেলে ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যারা ওজন কমানো, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগে ভুগছেন তাদের মুরগির স্কিন একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। ভাজা মুরগির স্কিনও স্বাস্থ্যের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর।
মুরগির স্কিন বা চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট এবং ক্যালোরি থাকে। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা দীর্ঘ সময় ধরে খেলে ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যারা ওজন কমানো, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগে ভুগছেন তাদের মুরগির স্কিন একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। ভাজা মুরগির স্কিনও স্বাস্থ্যের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর।
advertisement
3/6
এছাড়াও, মুরগির হৃদযন্ত্র পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। যদিও এটি আয়রন এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, অতিরিক্ত সেবনের ফলে ভিটামিন এ-এর বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মুরগির হার্ট খাওয়া গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। এছাড়া, লিভার শরীরের ডিটক্স অঙ্গ এবং এতে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে পারে, তাই এটি ঘন ঘন খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল।
এছাড়াও, মুরগির হৃদযন্ত্র পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। যদিও এটি আয়রন এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, অতিরিক্ত সেবনের ফলে ভিটামিন এ-এর বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মুরগির হার্ট খাওয়া গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। এছাড়া, লিভার শরীরের ডিটক্স অঙ্গ এবং এতে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে পারে, তাই এটি ঘন ঘন খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল।
advertisement
4/6
মুরগির মাংস এবং অন্ত্রগুলিও সাবধানতার সাথে খাওয়া উচিত। যদি এগুলি সঠিকভাবে পরিষ্কার এবং রান্না না করা হয়, তবে এগুলিতে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যার ফলে খাদ্যে বিষক্রিয়া, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বমি হতে পারে। এই অংশগুলিকে রাস্তার খাবার বা হোটেলে অতিরিক্ত বিশ্বাস করা উচিত নয়, কারণ প্রায়শই এগুলিতে সঠিক স্বাস্থ্যবিধির অভাব থাকে।
মুরগির মাংস এবং অন্ত্রগুলিও সাবধানতার সাথে খাওয়া উচিত। যদি এগুলি সঠিকভাবে পরিষ্কার এবং রান্না না করা হয়, তবে এগুলিতে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যার ফলে খাদ্যে বিষক্রিয়া, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বমি হতে পারে। এই অংশগুলিকে রাস্তার খাবার বা হোটেলে অতিরিক্ত বিশ্বাস করা উচিত নয়, কারণ প্রায়শই এগুলিতে সঠিক স্বাস্থ্যবিধির অভাব থাকে।
advertisement
5/6
কিছু লোক মুরগির মাথা এবং ফুসফুসও খায়, তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এগুলি খাওয়ার বিরুদ্ধে পরামর্শ দেন। এই অংশগুলিতে ভারী ধাতু, ব্যাকটেরিয়া এবং দূষণকারী পদার্থ জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই অংশগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করতে পারে এবং খাওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে।
কিছু লোক মুরগির মাথা এবং ফুসফুসও খায়, তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এগুলি খাওয়ার বিরুদ্ধে পরামর্শ দেন। এই অংশগুলিতে ভারী ধাতু, ব্যাকটেরিয়া এবং দূষণকারী পদার্থ জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই অংশগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করতে পারে এবং খাওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে।
advertisement
6/6
মুরগির বুকের মাংস এবং পায়ের মাংস সবচেয়ে নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়, কারণ এতে প্রোটিন বেশি এবং চর্বি কম থাকে। সেদ্ধ, ভাজা বা হালকা মশলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সামগ্রিকভাবে, মুরগি খাওয়ার সময় স্বাদের চেয়ে স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিন। সঠিক অংশ বেছে নিয়ে এবং সুষম পরিমাণে সেদ্ধ করে, মুরগি আপনার খাদ্যতালিকার একটি স্বাস্থ্যকর অংশ হয়ে উঠতে পারে।
মুরগির বুকের মাংস এবং পায়ের মাংস সবচেয়ে নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়, কারণ এতে প্রোটিন বেশি এবং চর্বি কম থাকে। সেদ্ধ, ভাজা বা হালকা মশলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সামগ্রিকভাবে, মুরগি খাওয়ার সময় স্বাদের চেয়ে স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিন। সঠিক অংশ বেছে নিয়ে এবং সুষম পরিমাণে সেদ্ধ করে, মুরগি আপনার খাদ্যতালিকার একটি স্বাস্থ্যকর অংশ হয়ে উঠতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement