corona virus btn
corona virus btn
Loading

থামল ড্রিবল, থামল রানআপ, বাংলা খেলার দুনিয়াকে শূন্য করে চলে গেলেন চুনী গোস্বামী

থামল ড্রিবল, থামল রানআপ, বাংলা খেলার দুনিয়াকে শূন্য করে চলে গেলেন চুনী গোস্বামী
Photo- Collected

ফুটবলে সোনা জয়ী দলের স্ট্রাইকার পাশাপাশি বঙ্গ রনজি দলের অধিনায়ক চুনীর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ছিল ময়দান

  • Share this:

#কলকাতা: ময়দানে আজ এক অসীম শূন্যতা ৷ চলে গেলেন চুনী গোস্বামী৷ কিন্তু চুনী গোস্বামী তো শুধু একটা নাম নয় ৷ চুনী গোস্বামী একটা গোটা অধ্যায় ৷ একটা গোটা খেলার এনস্লাইকোপিডিয়া৷

একই সঙ্গে ফুটবলের ময়দানে বল পায়ে ড্রিবল দেখানোর সঙ্গে চমৎকার রানআপে যখন উইকেটের এক প্রান্ত বল করতেন তা দেখে মুগ্ধতায় মজেনি এমন ক্রীড়া প্রেমী নেই৷ ফুটবলার হিসেবে তাঁকে ক্রীড়া জগত কুর্নিশ করেছে বারবার সে তুলনায় কিছুটা যেন কম সামনে আসতেন ক্রিকেটার চুনী ৷ তবে তাঁর সেই ক্রীড়া অধ্যায় যে গরিমায় ভরা তাই একবার মনে করে দেখা তাঁর প্রয়াণ দিবসে ৷

১৯৬২য-৬৩ সালে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে চুনী গোস্বামীর ৷ ডানহাতি ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি ছিলেন ডানহাতি মিডিয়াম পেসার ৷ বাংলা ক্রিকেট দলকে রনজি ট্রফি ফাইনালে উঠিয়েছিলেন তিনি ৷ সেই সোনালি সালটা ছিল ১৯৭১-৭২ ৷চুনীর বাংলা পৌঁছেছিল রনজি ট্রফির ফাইনালে ৷ তিনি ফিল্ডার হিসেবেও যে তুখোড় ছিলেন তাঁর পরিসংখ্যানই তাঁর পরিচয় ৷ কারণ তিনি নিয়েছিলেন ৪০ টি ক্যাচ ৷ এছাড়াও বোলার চুনীর দখলে ৪৬ ম্যাচে ছিল ৪৭ টি উইকেট ৷ তাঁর সেরা বোলিং ৪৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট ৷

ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতের একটি কম্বাইন্ড দলের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর খেলায় জ্বলে উঠেছিলেন চুনী ৷ সেই দলে সেসময়ে ভারত সফরে এসেছিলেন ক্লাইভ লয়েড ৷ সেই ১৯৬৪-৬৫ সালের সেই খেলার সময় সুব্রত গুহ ও চুনী মিলে ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন শক্তিশালী বিপক্ষকে ৷

Photo- Collected Photo- Collected

গুহ নিয়েছিলেন চার উইকেট আর চুনী গোস্বামী নিয়েছিলেন ৪৭ রানে ৫ উইকেট ৷ সে সময় যখন ভারতীয় ক্রিকেটে পশ্চিমাঞ্চল ,মধ্যাঞ্চলের দাপট সে সময় দুই বঙ্গতনয় হয়ে উঠেছিলেন দলের বড় ভরসা ৷ বিষাক্ত বোলিংয়ের সামনে কুঁকড়ে গিয়েছিল বিপক্ষ ৷ তাঁদের বোলিংয়ে একটা সময় ওয়েস্ট ইন্জিড ছিল ৭ উইকেটে ১০৮ রানের পুঁজি নিয়ে ৷ তারা শেষ হয়েছিল ১৩৬ রানে ৷

ফুটবলার হিসেবে চুনীর সাফল্য অবশ্য তাঁর ক্রিকেটার সত্ত্বার বিখ্যাত হওয়াকে খানিকটা হলেও হয়ত কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের ৷ আসলে স্ট্রাইকার যখন সামনে থেকে গোল করে তখন তাঁর চেয়ে নান্দনিক আর কিছু হতে পারে না ৷তাই ১৯৬২ -র এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী দলের স্ট্রাইকারের কাছে খানিকটা ম্লান হয়েই থেকে গিয়েছিলেন বঙ্গ রনজি দলের অধিনায়ক ৷

তাঁর প্রয়ানে ময়দানের বাইশ গজ ় যেমন কাঁদছে, তেমনি কাঁদছে ফুটবলের মাঠ ৷ এই  মহান খেলোয়াড় শূন্য করে দিয়ে গেলেন সব জগতকেই ৷

 
Published by: Debalina Datta
First published: April 30, 2020, 7:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर