advertisement

Modern vs Heritage Clock: 'আধুনিক টাওয়ার পুরনো আবেগের...'! নতুন ক্লক টাওয়ারে মন ভরছে না সিউড়িবাসীর! ঐতিহ্যের টানে বিকল ‘লন্ডন ঘড়ি’ মেরামতির আর্জি

Last Updated:
Birbhum Modern vs Heritage Clock: নতুন ঝলমলে ক্লক টাওয়ার হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সিউড়িবাসীর কাছে আজও শ্রেষ্ঠ ব্রিটিশ আমলের সেই 'লন্ডন ঘড়ি'। সংস্কারের অভাবে যা এখন স্তব্ধ। শহরজুড়ে জোরালো হচ্ছে পুরনো ঘড়িটি সারিয়ে তার হেরিটেজ মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি।
1/5
সিউড়ির ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের উপরে থাকা বিশালাকার ঘড়িটি প্রায় আট বছর ধরে অকেজো। এক সময় যে ঘড়ির 'ঢং ঢং' শব্দে পুরো শহরের মানুষের ঘুম ভাঙত এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম চলত, আজ তা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে পড়ছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় শহরে নতুন ফাইবারের ক্লক টাওয়ার বসলেও, প্রশাসনের নজর নেই এই শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের দিকে, এমনই দাবি। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
সিউড়ির ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের উপরে থাকা বিশালাকার ঘড়িটি প্রায় আট বছর ধরে অকেজো। এক সময় যে ঘড়ির 'ঢং ঢং' শব্দে পুরো শহরের মানুষের ঘুম ভাঙত এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম চলত, আজ তা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে পড়ছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় শহরে নতুন ফাইবারের ক্লক টাওয়ার বসলেও, প্রশাসনের নজর নেই এই শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের দিকে, এমনই দাবি। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
2/5
ইতিহাসবিদ সুকুমার সিংহের মতে, এই ঘড়িটি সিউড়ির ইতিহাসের এক অন্যতম সাক্ষী। উনিশ শতকের শুরুর দিকে তৎকালীন হেতমপুরের রাজকুমার মহিমা নিরঞ্জন চক্রবর্তী সেই সময়ের জেলা কালেক্টরকে এটি উপহার দিয়েছিলেন। লন্ডন থেকে এনে ১৯০২ থেকে ১৯০৪ সালের মধ্যে ঘড়িটি ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের মাথায় স্থাপন করা হয়। দশকের পর দশক ধরে এটিই ছিল শহরের সময় দেখার প্রধান উৎস।
ইতিহাসবিদ সুকুমার সিংহের মতে, এই ঘড়িটি সিউড়ির ইতিহাসের এক অন্যতম সাক্ষী। উনিশ শতকের শুরুর দিকে তৎকালীন হেতমপুরের রাজকুমার মহিমা নিরঞ্জন চক্রবর্তী সেই সময়ের জেলা কালেক্টরকে এটি উপহার দিয়েছিলেন। লন্ডন থেকে এনে ১৯০২ থেকে ১৯০৪ সালের মধ্যে ঘড়িটি ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের মাথায় স্থাপন করা হয়। দশকের পর দশক ধরে এটিই ছিল শহরের সময় দেখার প্রধান উৎস।
advertisement
3/5
ঘড়িটি এর আগেও বিপত্তিতে পড়েছিল। ১৯৭০ সালে বজ্রপাতে এটি প্রথমবার বিকল হয়। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ১৯৯৫ সালে স্থানীয় মেকানিক রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী নিজের দক্ষতায় ঘড়িটিকে পুনরায় সচল করেন এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনিই এর দেখভাল করতেন। কিন্তু ২০১৬ সালে এটি দ্বিতীয়বার বন্ধ হওয়ার পর থেকে আর কোন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ঘড়িটি এর আগেও বিপত্তিতে পড়েছিল। ১৯৭০ সালে বজ্রপাতে এটি প্রথমবার বিকল হয়। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ১৯৯৫ সালে স্থানীয় মেকানিক রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী নিজের দক্ষতায় ঘড়িটিকে পুনরায় সচল করেন এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনিই এর দেখভাল করতেন। কিন্তু ২০১৬ সালে এটি দ্বিতীয়বার বন্ধ হওয়ার পর থেকে আর কোন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
advertisement
4/5
বীরভূম নাগরিক কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বারবার জেলা পরিষদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। সমিতির সম্পাদক সুশীল সরকার জানান, তাঁরা প্রাক্তন জেলাশাসক বিধান রায়ের মাধ্যমে হেরিটেজ কমিশনারের কাছেও আবেদন পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কোন সদুত্তর মেলেনি। প্রশাসন সবকিছু জেনেও উদাসীন বলে অভিযোগ তুলেছেন শহরের প্রবীণ নাগরিকরা।
বীরভূম নাগরিক কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বারবার জেলা পরিষদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। সমিতির সম্পাদক সুশীল সরকার জানান, তাঁরা প্রাক্তন জেলাশাসক বিধান রায়ের মাধ্যমে হেরিটেজ কমিশনারের কাছেও আবেদন পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কোন সদুত্তর মেলেনি। প্রশাসন সবকিছু জেনেও উদাসীন বলে অভিযোগ তুলেছেন শহরের প্রবীণ নাগরিকরা।
advertisement
5/5
সম্প্রতি বিধায়ক তহবিল থেকে সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি নতুন ফাইবারের ক্লক টাওয়ার বসানো হয়েছে। তবে শহরের বাসিন্দা প্রিয়নীল পাল বলেন, 'আধুনিক টাওয়ার পুরনো আবেগের জায়গা নিতে পারে না।' ছোটবেলার স্মৃতি আর ঐতিহ্যের টানে শহরবাসী চান প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিক এবং শতাব্দী প্রাচীন এই ঘড়িটিকে পুনরায় সংস্কার করে সচল করা হোক। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
সম্প্রতি বিধায়ক তহবিল থেকে সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি নতুন ফাইবারের ক্লক টাওয়ার বসানো হয়েছে। তবে শহরের বাসিন্দা প্রিয়নীল পাল বলেন, 'আধুনিক টাওয়ার পুরনো আবেগের জায়গা নিতে পারে না।' ছোটবেলার স্মৃতি আর ঐতিহ্যের টানে শহরবাসী চান প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিক এবং শতাব্দী প্রাচীন এই ঘড়িটিকে পুনরায় সংস্কার করে সচল করা হোক। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
advertisement
advertisement