Dulung River Bridge: হয়েছে মাটি পরীক্ষা, হয়েছে অন্য সব কাজ! এবার কবে ব্রিজ পাবে ডুলুং নদী! জানাল প্রশাসন

Last Updated:

Dulung River Bridge: ব্রিজ না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা এলেই দুর্ভোগে পড়েন ডুলুং নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। সবাই চেয়ে রয়েছেন স্থায়ী ব্রিজের জন্য।

+
ডুলুং

ডুলুং নদী

ঝাড়গ্রাম: জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রামের অন্যতম প্রধান নদী ডুলুং। বর্ষা নামলেই বানভাসি ঝাড়গ্রামের জামবনি ব্লক। এলাকায় ডুলুং নদীর উপর স্থায়ী সেতু না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এলাকায়। জামবনি ব্লকের সঙ্গে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যোগাযোগ। এমনকি স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কোন রোগীকে বর্ষাকালে শহরে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয় ব্যবহার করতে হয় ঘুরপথ। প্রতি বছর বর্ষা এলেই দুর্ভোগে পড়েন ডুলুং নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও মেলেনি কোন সুরাহা, ক্ষোভ বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মী নায়েকের অভিযোগ ‘বন্যা হলেই আমাদের গৃহবন্দী থাকতে হয়। প্রতিবছর ঘটা করে আশ্বাস দেওয়া হয় যে ব্রিজ তৈরি করে দেওয়া হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই ব্রিজ তৈরি হয়ে ওঠেনি’।
বর্ষা এলেই ফুলে ফেঁপে ওঠে এই নদী। বর্তমান নদীর উপর তৈরি নিচু সেতু বা ফেয়ার ওয়েদার সেতু দিয়ে যাতায়াত ক্রমে বিপদজনক হয়ে ওঠে। বিভিন্ন জায়গায় এবড়ো-খেবড়ো, জায়গায় জায়গায় গর্ত। চিলকিগড়ের বাসিন্দাদের বিভিন্ন কাজে নদী পেরিয়ে ব্লক সদর গিধনিতে যেতে হয়। বিপদে পড়েছেন তাঁরাও। বিকল্প পথ বলতে ছ’নম্বর জাতীয় সড়ক। ঝাড়গ্রামের উপর দিয়ে পথ গিয়েছে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা। কিন্তু সেই পথেও ডুলুং নদীর উপর সেতু বেহাল। প্রতিবছর বর্ষায় চার থেকে পাঁচবার এই নদী প্লাবিত হয় বিপদ সীমার উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করে ব্রিজের ওপর যার ফলে প্রতিবছরে সাধারণ মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করেন, এই নদীর উপর স্থায়ী ব্রিজের দাবিতে এলাকার সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময় আন্দোলন ডেপুটেশন দিয়ে প্রশাসনকে জানান দিয়েছেন তার পরেও এখনও পর্যন্ত সেই ব্রিজ গড়ে ওঠেনি। স্থানীয় বাসিন্দা দীপক দুবের অভিযোগ, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও ব্রীজ খারাপ, বর্ষায় নদীর জল বাড়লেই ঘর পর্যন্ত জল ওঠে। বার বার জানিয়েছি কোন সুরাহা হয়নি।’
advertisement
advertisement
জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রামের অন্যতম প্রধান নদী ডুলুং। এই নদীর উপর নির্ভর করেই স্থানীয়দের জীবনযাপন চলে। ব্রিজের উপর দিয়ে যেতে হয় বাজার, হাসপাতাল। স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও মেলেনি কোন সুরাহা, ক্ষোভ বাসিন্দাদের। অল্প বৃষ্টিতে ডুলুং নদীর জল বাড়লে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে জামবনী ব্লকের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম শহরের। বর্ষার আগে সাধারণ মানুষ স্থায়ী সমাধান চাইছেন। আর এক বাসিন্দা কালু খামরই বলেন, ‘কয়েক বছর ধরেই শুনছি নাকি মাটির নমুনা সংগ্রহ ও সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে, ব্রিজ কবে হবে, কবে হবে সমস্যার সমাধান?’ রমেশ সরকারের দাবী প্রতিবছর বর্ষায় একবার করে ললিপপ দেখায় জঙ্গলমহলবাসীকে, এভাবেই প্রতি বর্ষায় বোকা বানায় জঙ্গলমহলের মানুষকে।’
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি বলেন, “২০২৫ ২৬ অর্থবর্ষে প্ল্যানিং করা হয়েছে, ইতিমধ্যেই মাটির নমুনা সংগ্রহ সহ সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, আগামী বছরই তা রূপায়িত হবে।” প্রশাসনিক আশ্বাস পেলেও এখনও পর্যন্ত সেই ব্রিজের কাজ শুরু হয়নি। যার ফলে স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীদের চিন্তার ভাঁজ কপালে, কারণ সামনেই বর্ষা, আবার কি সেই একই রকম সমস্যায় পুনরায় তাদের পড়তে হবে, কবে ডুলুং নদীর উপর গড়ে উঠবে ব্রিজ তারদিকেই তাকিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ।
advertisement
তন্ময় নন্দী
Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Dulung River Bridge: হয়েছে মাটি পরীক্ষা, হয়েছে অন্য সব কাজ! এবার কবে ব্রিজ পাবে ডুলুং নদী! জানাল প্রশাসন
Next Article
advertisement
Samir Putatunda: প্রয়াত প্রবীণ বামপন্থী নেতা সমীর পুততুণ্ড! 'নিজের কাউকে হারালাম', শোকপ্রকাশ মমতার
প্রয়াত প্রবীণ বামপন্থী নেতা সমীর পুততুণ্ড! 'নিজের কাউকে হারালাম', শোকপ্রকাশ মমতার
  • প্রয়াত প্রবীণ বামপন্থী নেতা সমীর পুততুণ্ড৷

  • ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ৷

  • শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

VIEW MORE
advertisement
advertisement