advertisement

Smartphone Tips: কল করার সময় ফোনের স্ক্রিন কালো হয়ে যায়? ভয়ের কিছু নেই, ৯০ শতাংশ মানুষই জানেন না এর আসল গোপন রহস্য! এটি কোনও ত্রুটি নয়, বরং দারুণ কাজের ফিচার

Last Updated:
Smartphone Tips: মোবাইলের স্ক্রিন নিজে থেকে বন্ধ হয়ে গেলে অনেকেই চিন্তায় পড়েন। আসলে এটি স্ক্রিন টাইমআউট ও প্রক্সিমিটি সেন্সরের একটি স্মার্ট ফিচার। জানুন কেন এমন হয় এবং কীভাবে সেটিংস পরিবর্তন করবেন।
1/10
অনেকেই মনে করেন স্মার্টফোনের স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি ত্রুটির লক্ষণ, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফোনের একটি স্মার্ট বৈশিষ্ট্য। স্ক্রিন টাইমআউট এবং প্রক্সিমিটি সেন্সরগুলি ব্যাটারি বাঁচাতে এবং কলের সময় ভুল জায়গায় স্পর্শ রোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। মোবাইলের স্ক্রিন কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়, কীভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে এবং কখন এটি একটি সমস্যা হয়ে উঠতে পারে তা জেনে নেওয়া যাক।
অনেকেই মনে করেন স্মার্টফোনের স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি ত্রুটির লক্ষণ, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফোনের একটি স্মার্ট বৈশিষ্ট্য। স্ক্রিন টাইমআউট এবং প্রক্সিমিটি সেন্সরগুলি ব্যাটারি বাঁচাতে এবং কলের সময় ভুল জায়গায় স্পর্শ রোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। মোবাইলের স্ক্রিন কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়, কীভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে এবং কখন এটি একটি সমস্যা হয়ে উঠতে পারে তা জেনে নেওয়া যাক।
advertisement
2/10
আজকের স্মার্টফোনগুলিতে স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা। অনেক ব্যবহারকারী মনে করেন এটি একটি ত্রুটি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি কেবল ফোনের ডিজাইনের অংশ। স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুটি প্রধান কারণ: স্ক্রিন টাইমআউট বৈশিষ্ট্য এবং প্রক্সিমিটি সেন্সর। এই দুটি বৈশিষ্ট্যই ব্যাটারি বাঁচাতে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
আজকের স্মার্টফোনগুলিতে স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা। অনেক ব্যবহারকারী মনে করেন এটি একটি ত্রুটি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি কেবল ফোনের ডিজাইনের অংশ। স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুটি প্রধান কারণ: স্ক্রিন টাইমআউট বৈশিষ্ট্য এবং প্রক্সিমিটি সেন্সর। এই দুটি বৈশিষ্ট্যই ব্যাটারি বাঁচাতে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
advertisement
3/10
প্রথমে, স্ক্রিন টাইমআউট সম্পর্কে কথা বলা যাক। এটি প্রায় প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS ফোনে পাওয়া একটি অন্তর্নির্মিত সেটিংস। কেউ যখন কয়েক সেকেন্ড বা মিনিটের জন্য স্ক্রিন স্পর্শ করে না বা ইন্টারঅ্যাক্ট করে না, তখন স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
প্রথমে, স্ক্রিন টাইমআউট সম্পর্কে কথা বলা যাক। এটি প্রায় প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS ফোনে পাওয়া একটি অন্তর্নির্মিত সেটিংস। কেউ যখন কয়েক সেকেন্ড বা মিনিটের জন্য স্ক্রিন স্পর্শ করে না বা ইন্টারঅ্যাক্ট করে না, তখন স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
advertisement
4/10
এর উদ্দেশ্য হল ব্যাটারি বাঁচানো। স্ক্রিন হল একটি মোবাইল ফোনের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ-ক্ষুধার্ত অংশ। যদি স্ক্রিনটি সর্বদা চালু থাকে, তাহলে ব্যাটারি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। অতএব, ফোন নির্মাতারা ডিফল্ট টাইমআউট ১৫ সেকেন্ড, ৩০ সেকেন্ড বা ১ মিনিটে সেট করে।
এর উদ্দেশ্য হল ব্যাটারি বাঁচানো। স্ক্রিন হল একটি মোবাইল ফোনের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ-ক্ষুধার্ত অংশ। যদি স্ক্রিনটি সর্বদা চালু থাকে, তাহলে ব্যাটারি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। অতএব, ফোন নির্মাতারা ডিফল্ট টাইমআউট ১৫ সেকেন্ড, ৩০ সেকেন্ড বা ১ মিনিটে সেট করে।
advertisement
5/10
যদি কারও মনে হয় স্ক্রিনটি খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে খুব সহজেই এটি পরিবর্তন করা যেতে পারে। এর জন্য সেটিংসে যেতে হবে, ডিসপ্লে বা স্ক্রিন এবং ব্রাইটনেস বিভাগে স্ক্রিন টাইমআউট বা স্লিপ বিকল্পটি সিলেক্ট করতে হবে এবং সময়টি বাড়িয়ে দিতে হবে - উদাহরণস্বরূপ, ২ মিনিট, ৫ মিনিট বা ১০ মিনিট।
যদি কারও মনে হয় স্ক্রিনটি খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে খুব সহজেই এটি পরিবর্তন করা যেতে পারে। এর জন্য সেটিংসে যেতে হবে, ডিসপ্লে বা স্ক্রিন এবং ব্রাইটনেস বিভাগে স্ক্রিন টাইমআউট বা স্লিপ বিকল্পটি সিলেক্ট করতে হবে এবং সময়টি বাড়িয়ে দিতে হবে - উদাহরণস্বরূপ, ২ মিনিট, ৫ মিনিট বা ১০ মিনিট।
advertisement
6/10
কিছু ফোনে, পাওয়ার সেভিং মোড চালু থাকলে এই টাইমআউট স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যায়, যার ফলে স্ক্রিনটি দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এই বৈশিষ্ট্যটি কেবল ব্যাটারির আয়ু বাড়ায় না বরং ফোনের অতিরিক্ত গরম হওয়াও কমায়।
কিছু ফোনে, পাওয়ার সেভিং মোড চালু থাকলে এই টাইমআউট স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যায়, যার ফলে স্ক্রিনটি দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এই বৈশিষ্ট্যটি কেবল ব্যাটারির আয়ু বাড়ায় না বরং ফোনের অতিরিক্ত গরম হওয়াও কমায়।
advertisement
7/10
আরেকটি প্রধান কারণ হল প্রক্সিমিটি সেন্সর। এই ছোট সেন্সরটি ফোনের উপরে (সামনের ক্যামেরা এবং স্পিকারের কাছে) অবস্থিত। কেউ যখন কল করে এবং ফোনটি নিজের কানের কাছে ধরে রাখে, তখন এই সেন্সরটি নিজের মুখ বা কানের প্রক্সিমিটি শনাক্ত করে। স্ক্রিনটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
আরেকটি প্রধান কারণ হল প্রক্সিমিটি সেন্সর। এই ছোট সেন্সরটি ফোনের উপরে (সামনের ক্যামেরা এবং স্পিকারের কাছে) অবস্থিত। কেউ যখন কল করে এবং ফোনটি নিজের কানের কাছে ধরে রাখে, তখন এই সেন্সরটি নিজের মুখ বা কানের প্রক্সিমিটি শনাক্ত করে। স্ক্রিনটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
advertisement
8/10
এর দুটি সুবিধা রয়েছে: প্রথমত, কান বা গাল দিয়ে ভুলবশত কোনও বাটন (যেমন মিউট, হোল্ড, অথবা ডিসকানেক্ট) চাপার ঝুঁকি নেই। দ্বিতীয়ত, কল চলাকালীন স্ক্রিন বন্ধ রাখলে ব্যাটারির চার্জ অনেকাংশে সাশ্রয় হয়। কল শেষ হলে বা ফোন সরিয়ে ফেলা হলে স্ক্রিন আবার চালু হয়।
এর দুটি সুবিধা রয়েছে: প্রথমত, কান বা গাল দিয়ে ভুলবশত কোনও বাটন (যেমন মিউট, হোল্ড, অথবা ডিসকানেক্ট) চাপার ঝুঁকি নেই। দ্বিতীয়ত, কল চলাকালীন স্ক্রিন বন্ধ রাখলে ব্যাটারির চার্জ অনেকাংশে সাশ্রয় হয়। কল শেষ হলে বা ফোন সরিয়ে ফেলা হলে স্ক্রিন আবার চালু হয়।
advertisement
9/10
কখনও কখনও, ময়লা, স্ক্রিন প্রটেক্টর বা কেস দিয়ে ঢেকে গেলে প্রক্সিমিটি সেন্সরটি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে স্ক্রিনটি অকারণে জ্বলজ্বল করে। এই ক্ষেত্রে, সেন্সরটি আলতো করে পরিষ্কার করা বা কেসটি সরিয়ে পরীক্ষা করা সাহায্য করতে পারে।
কখনও কখনও, ময়লা, স্ক্রিন প্রটেক্টর বা কেস দিয়ে ঢেকে গেলে প্রক্সিমিটি সেন্সরটি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে স্ক্রিনটি অকারণে জ্বলজ্বল করে। এই ক্ষেত্রে, সেন্সরটি আলতো করে পরিষ্কার করা বা কেসটি সরিয়ে পরীক্ষা করা সাহায্য করতে পারে।
advertisement
10/10
মোবাইল স্ক্রিনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা কোনও সমস্যা নয়, বরং একটি স্মার্ট বৈশিষ্ট্য। এটি ব্যাটারির আয়ু বাড়ায়, অবাঞ্ছিত স্পর্শ রোধ করে এবং ফোনকে নিরাপদ রাখে। টাইমআউট বাড়ানোর পরেও বা সেন্সরগুলি পরীক্ষা করার পরেও যদি সমস্যাটি থেকে যায়, তবে এটি অতিরিক্ত গরম, ব্যাটারির সমস্যা বা সফ্টওয়্যারের ত্রুটির কারণে হতে পারে - তাহলে এটি কোনও পরিষেবা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াই ভাল। তবে, ৯০% ক্ষেত্রে, এই দুটি বৈশিষ্ট্যই দোষী। এই সেটিংসগুলি বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহার করলে ফোন দীর্ঘস্থায়ী হবে।
মোবাইল স্ক্রিনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা কোনও সমস্যা নয়, বরং একটি স্মার্ট বৈশিষ্ট্য। এটি ব্যাটারির আয়ু বাড়ায়, অবাঞ্ছিত স্পর্শ রোধ করে এবং ফোনকে নিরাপদ রাখে। টাইমআউট বাড়ানোর পরেও বা সেন্সরগুলি পরীক্ষা করার পরেও যদি সমস্যাটি থেকে যায়, তবে এটি অতিরিক্ত গরম, ব্যাটারির সমস্যা বা সফ্টওয়্যারের ত্রুটির কারণে হতে পারে - তাহলে এটি কোনও পরিষেবা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াই ভাল। তবে, ৯০% ক্ষেত্রে, এই দুটি বৈশিষ্ট্যই দোষী। এই সেটিংসগুলি বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহার করলে ফোন দীর্ঘস্থায়ী হবে।
advertisement
advertisement
advertisement