ক্রিসমাসের আগে আলোয় আলোয় সেজে উঠছে বর্ধমানের দুই শতাব্দী প্রাচীন চার্চ

ক্রিসমাসের আগে আলোয় আলোয় সেজে উঠছে বর্ধমানের দুই শতাব্দী প্রাচীন চার্চ
  • Share this:

Saradindu Ghosh #বর্ধমান: আলোয় আলোয় সেজে উঠেছে চারপাশ। সাজানো হয়েছে গোলাপ, টিউলিপে ৷ ক্রিসমাস ট্রিতে। ক্রিশমাস ক্যারলের জন্য প্রস্তুত বর্ধমানের ইতিহাস প্রাচীন দুই চার্চ। জাঁকিয়ে পড়া শীতকে সঙ্গী করে বড়দিনের উত্সবে মাততে তৈরি বর্ধমান শহর। বর্ধমান পার্কাস রোড লাগোয়া স্যাকরেড হার্ট চার্চে সকাল থেকেই চলছিল জোর প্রস্ততি। দুপুরে দেখা গেল জোর কদমে চলছে ক্রিসমাস ক্যরলের তালিম। গানের মহড়ার মধ্যেই বড়দিন পালনের মজা নিচ্ছে কচিকাচারা। তারাই নিজেদের হাতে সাজিয়ে তুলেছে চার্চের প্রতিটি প্রান্ত।​বিভিন্ন মডেলের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভগবান যীশুখ্রিষ্টের নানান কর্মকান্ড। বড় ফাদার মার্টিন বেহেরা জানালেন, দেড়শ বছর আগে ১৮৭০ সালে এই চার্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এখন এখানে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী তিনশো পরিবার রয়েছেন। তাঁরা নিয়মিত এই চার্চে প্রার্থনায় অংশ নেন । ২৪ ডিসেম্বর রাতের বিশেষ প্রার্থনায় এবং ২৫ ডিসেম্বর দিনভর অগণিত বাসিন্দা চার্চে আসেন।

1369_IMG-20191224-WA0022

কার্জন গেট লাগোয়া বর্ধমান ক্রাইস্ট চার্চও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এই চার্চ দু’শো বছরেরও বেশি পুরনো। ১৮১৬ সালে স্থাপিত হয় এই চার্চ।

দু’টি চার্চকে সামনে রেখে বড়দিন পালনে প্রস্তুত বর্ধমানের বাসিন্দারা। আলোয় সেজে উঠেছে শহর। রাস্তার মোড়ে মোড়ে রঙ বাহারি মোড়কে কেকের পসরা। বিক্রি হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রি, সান্তা টুপি। সন্ধে নামতেই গরম পোশাকে শরীর ঢেকে পথে বেরিয়েছেন অনেকেই। চলছে বড়দিনের আগের কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি। সঙ্গে খাওয়া দাওয়া। সব মিলিয়ে বড়দিন পালন শুরু হয়ে গিয়েছে বর্ধমান জুড়ে।

1369_IMG-20191224-WA0023

বড়দিন মানেই অনেকের কাছে মিষ্টি রোদ পিঠে নিয়ে জমিয়ে চড়ুইভাতি। বর্ধমানের দামোদরের তীরের পিকনিক স্পটগুলিতে বিশেষত বর্ধমানের সদরঘাট, খন্ডঘোষের সংসার, মেমারির পাল্লা রোডে ভিড় উপচে পড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসন। এছাড়াও বর্ধমানের জলকল মাঠ, হলদি খড়ির গন্ডি সহ সব পিকনিক স্পটেই তিল ধারণের জায়গা থাকবে না।​যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনা রুখতে ও পিকনিক স্পটগুলিতে শান্তি বজায় রাখতে বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে জেলা পুলিশ।

First published: December 24, 2019, 7:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर