Loba Kali Temple: বীরভূমের জাগ্রত লোবা মায়ের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি! পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে ৩০০ বছরের প্রাচীন ইতিহাস, অনেকেই জানেন না

Last Updated:

তিন শতাব্দী ধরে ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের মেলবন্ধনে আজও সমান ভক্তির সঙ্গে পালিত হয় বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের লোবা গ্রামের কালীপুজো।

+
লোবা

লোবা মা

বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: তিন শতাব্দী ধরে ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের মেলবন্ধনে আজও সমান ভক্তির সঙ্গে পালিত হয় বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের লোবা গ্রামের কালীপুজো। স্থানীয়দের কাছে এই পুজো পরিচিত ‘লোবা মা’-র পুজো নামে। দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে অনুষ্ঠিত এই প্রাচীন কালীপুজো শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি গ্রামজীবনের অন্যতম উৎসব ও মিলনমেলা।
মন্দির ট্রাস্টি উৎপল ঘোষ জানান, এই পুজোর সূচনা করেছিলেন সাধক রামেশ্বর ডণ্ডী। বহু বছর আগে হিংলো নদীর তীরে তিনি তাঁর আরাধ্যা দেবী ‘লোবা মা’-র প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি গ্রাম ছাড়ার আগে ঘোষ পরিবারকে পুজোর দায়িত্ব ও চক্রবর্তী পরিবারকে সেবায়েত হিসেবে নিয়োগ করে যান। সেই থেকেই অবিচ্ছিন্নভাবে রীতি মেনে চলছে পুজো। উৎপল ঘোষ বলেন, “মায়ের পুজো আমাদের পরিবারের মেয়ের বিয়ের মতোই পালিত হয়। তিন শতাব্দী ধরে সেই রীতিই বজায় আছে।” তাঁর কথায়, লোবা মা অত্যন্ত জাগ্রত। অনেক ভক্ত মোবাইলে মায়ের ছবি দেখে প্রার্থনা করে আরোগ্য বা মানসিক শান্তি লাভ করেছেন বলে দাবি করেন।
advertisement
advertisement
বীরভূমের লোবার এই পুজোর অন্যতম বিশেষত্ব তিনটি কালী প্রতিমার একসঙ্গে বিসর্জন। দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে পুজো শেষে পরদিন স্থানীয় কালিভাসা পুকুরে তিন প্রতিমার নিরঞ্জন হয়। তিন দেবীকে তিন বোন হিসেবে মানা হয়, লোবা মা (বড় বোন), বাবুপুরের মা (মেজো বোন) ও বরাড়ির মা (ছোট বোন)।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সকল সম্প্রদায়ের মানুষ এই পুজোয় অংশগ্রহণ করেন। পুজোর দিন লোবা গ্রাম পরিণত হয় মিলনমেলায়। আলো, মেলা, ভক্তদের ঢল আর বিশ্বাসে ভরপুর আবহে। তিন শতাব্দী ধরে লোবা মা আজও এক জীবন্ত ঐতিহ্য, যেখানে ধর্ম নয়, ভক্তিই সকলকে একসূত্রে বেঁধে রাখে।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Loba Kali Temple: বীরভূমের জাগ্রত লোবা মায়ের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি! পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে ৩০০ বছরের প্রাচীন ইতিহাস, অনেকেই জানেন না
Next Article
advertisement
'আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে...' শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে বাংলাদেশকে প্রথম সরকারি প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত!
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে এই প্রথম প্রতিক্রিয়া! বাংলাদেশকে যা জানাল ভারত
  • ভারত নিশ্চিত করেছে যে তারা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পেয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে.

  • ভারত জানিয়েছে, বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পর্যালোচনা হবে.

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানায়.

VIEW MORE
advertisement
advertisement