Darjeeling News: ফিরে আসবে হারিয়ে যাওয়া বন্যপ্রাণীরাও! দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় যা হচ্ছে শুনলে মাথা ঘুরে যাবে আপনারও
- Reported by:Sujoy Ghosh
- Published by:Purnendu Mondal
Last Updated:
দার্জিলিংয়ের পদ্মঝা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্কে শুরু হল বায়োব্যাংকিং গবেষণাগার
দার্জিলিং: ফের বন্যপ্রাণ রক্ষায় নজির গড়ল দার্জিলিংয়ের পদ্মঝা নাইডু হিমালায়ান জুওলজিক্যাল পার্ক। সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি নতুন পদক্ষেপ দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নায়ডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্কের, যা বিপন্ন হিমালয়ান প্রজাতির এক্স-সিটু সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত, এবার এই মহৎ কাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন পদক্ষেপ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের। সম্প্রতি রাজ্যের বন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় বায়োব্যানকিং গবেষণাগারের শুভ উদ্বোধন করেন।
দার্জিলিং সফরে বনমন্ত্রী চিড়িয়াখানা পরিদর্শনে এসে এই বায়োব্যানকিং গবেষণার সুবিধা এবং প্যাথোলজি ল্যাবের উদ্বোধন করেন। এই ল্যাব চিড়িয়াখানার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং গবেষণার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের সহায়তা প্রদান করবে, এই প্রসঙ্গে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেয়াচি বলেন, “এই বায়োব্যাংকটি গেমেট, টিস্যু, জেনেটিক উপাদানগুলি তরল নাইট্রোজেনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হবে, যা ভবিষ্যতের সংরক্ষণমূলক কাজ এবং গবেষণার জন্য নতুন করে পথ দেখাবে।”
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অত্যাধুনিক প্যাথোলজিকাল ল্যাবটি পশুর চিকিৎসায় সাহায্য করবে। ইতিমধ্যেই কয়জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বায়োব্যাংক গবেষণাগারে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর ডিম, শুক্রাণু, টিস্যু নমুনা সংগ্রহ ও ফ্রিজিং করা হবে। ধীরে ধীরে এটিকে আরও উন্নত করার প্রক্রিয়াকরণ চলছে এবং পরবর্তীতে যদি কোনও প্রাণী প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে যায়, তবে এই গেমেটগুলি ব্যবহার করে সারোগেসির মাধ্যমে প্রাণীটি পুনরায় আনা যেতে পারে। জেনেটিক উপাদান এবং টিস্যু সংগ্রহের মাধ্যমে জেনেটিক স্যাম্পলিং করা যাবে, যা ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টিংয়ের মত ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
advertisement
১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দার্জিলিং পদ্মঝা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সমস্ত বিভাগে দেশের সেরা চিড়িয়াখানা হিসেবে পুরস্কৃত হয়। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা সফলভাবে ১০টি বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ করে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে রেড পান্ডা, স্নো লেপার্ড, ব্লু শিপ, হিমালয়ান তাহর, হিমালয়ান উলফ, সালামান্ডার, মোনাল, ব্লাড ফিজ্যান্ট, স্যাটায়ার ট্র্যাগোপান এবং গ্রে পিকক ফিজ্যান্ট। বন্যপ্রাণ রক্ষায় এই বায়োব্যাংকিং নতুন পথ দেখাবে বলে আশাবাদী চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
advertisement
সুজয় ঘোষ
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Dec 30, 2024 1:02 PM IST










