• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • মাস্ক পরাকে ব্যঙ্গ করে টিকটক ভিডিও, শেষে করোনায় আক্রান্ত মধ্যপ্রদেশের যুবক মাস্ক পরা নি

মাস্ক পরাকে ব্যঙ্গ করে টিকটক ভিডিও, শেষে করোনায় আক্রান্ত মধ্যপ্রদেশের যুবক মাস্ক পরা নি

প্রতীকী চিত্র

প্রতীকী চিত্র

২৫ বছর বয়সি ওই যুবক পেশায় একজন ইলেক্ট্রিসিয়ান৷ আপাতত সাগর এলাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি তিনি৷

  • Share this:
    #মধ্যপ্রদেশ: মাস্ক পরা নিয়ে ব্যঙ্গ করে টিকটক ভিডিও বানিয়েছিলেন৷ সেখানে বিদ্রুপের সুরে বলেছিলেন, 'করোনা থেকে বাঁচতে এক টুকরো কাপড়ের উপরে ভরসা না করে ভগবানের উপরে আস্থা রাখতে৷' মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা এ হেন এক যুবকের টিকটক ভিডিও ভাইরাল হতে সময় লাগেনি৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওই যুবক নিজেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ সর্বশেষ ভিডিও-তে হাসপাতালে শুয়ে কাতর কণ্ঠে তাঁর জন্য প্রার্থনা করার অনুরোধও করেছেন ওই যুবক৷

    করোনা সংক্রমণে যথেষ্ট খারাপ অবস্থা মধ্যপ্রদেশের৷ ওই যুবক অবশ্য টিকটক ভিডিও তৈরির পাশাপাশি গরিব মানুষকে সব্জিও বিতরণ করছিলেন৷ তারই মাঝে মাস্ক পরা নিয়ে ব্যঙ্গ করে টিকটক ভিডিও তৈরি করেছিলেন তিনি৷ কিন্তু ভাইরাল হওয়া তাঁর সেই কীর্তি যেন ব্যুমেরাং হয়ে গিয়েছে৷

    ২৫ বছর বয়সি ওই যুবক পেশায় একজন ইলেক্ট্রিসিয়ান৷ আপাতত সাগর এলাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি তিনি৷ টিকটক ভিডিও-তে সানগ্লাস পরে বাইক চালাতে চালাতে মাস্ক না পরার পক্ষে সওয়াল করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে৷ ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন, 'এক টুকরো কাপড়ে ভরসা করে কী হবে? ভরসা করলে উপরওয়ালাকে করো!'

    করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর অবশ্য তাঁর সেই আত্মবিশ্বাস উবে গিয়েছে৷ বুন্দেলখণ্ড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে ভয়ার্ত মুখে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আমি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত৷ দয়া করে আমার পাশে থাকুন, আমার জন্য প্রার্থনা করুন৷ আপাতত আমি আর টিকটক ভিডিও পোস্ট করতে পারব না৷' হাসপাতালে শুয়ে এই ভিডিও বার্তা দেওয়ার পরই ওই যুবকের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়৷

    তবে ওই যুবকের শরীরে কীভাবে সংক্রমণ ছড়ালো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ যেহেতু তিনি বহু মানুষকে সব্জি বিতরণ করেছেন, তাই তাঁর সংস্পর্শে আসা সবাইকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে৷ পুলিশের অনুমান, জবলপুরে মানুষকে সব্জি সরবরাহ করতে গিয়েই সংক্রামিত হয়েছেন ওই যুবক৷ সাগরে যেখানে তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ বছরের সন্তান থাকে, সেই এলাকাটিও ঘিরে রাখা হয়েছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: