• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ডায়ানা হেডেন মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব

ডায়ানা হেডেন মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব

  • Share this:

    #আগরতলা: চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। আগরতলার একটি ডিজাইন ওয়ার্কশপের মঞ্চে বিপ্লব দেবের প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী ডায়না হেডেন সম্পর্কে করা একটি মন্তব্যের জেরে শোরগোল পড়ে যায় সর্বত্র। সেই বিতর্কের জেরেই এদিন মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    বেলাগাম বিতর্কিত মন্তব্যের ধারা অব্যাহত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের৷ মহাভারতের সমযে ইন্টারনেটের উপস্থিতির মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ফ্যাশন, আন্তর্জাতিক বস্ত্রশিল্প ও কসমেটিক শিল্পের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি টেনে আনেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী প্রসঙ্গ টেনে আনেন।তিনি বলেন, ‘ডায়না হেডেন মিস ওয়ার্ল্ড যোগ্য ছিলেন না৷ তিনি খেতাব জিতেছিলেন শুধুই বাণিজ্যিক কারণে৷ ঐশ্বর্য রাই এই খেতাব জিতেছিলেন৷ উনি এই খেতাবের জন্য উপযুক্ত৷ তিনি ভারতীয় নারী,সৌন্দর্যের প্রতীক৷ যেমন মা লক্ষ্মী, মা সরস্বতী৷ কিন্তু ডায়নাকে কোনও ভাবেই সেই পর্যায়ে ভাবা যায় না৷ উনি কি এই খেতাবের যোগ্য ছিলেন?’

    আরও পড়ুন

    আইনজীবী থেকে প্রথম সুপ্রিম কোর্টের মহিলা বিচারপতি হলেন ইন্দু মালহোত্রা

    বিপ্লব দেবের এই মন্তব্যের পরই সব মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় নানা ট্রোলিং। তাঁর মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন স্বয়ং ডায়ানা হেডেনও। ক্ষুব্ধ ডায়ানা বিপ্লবেপৃর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমার গায়ের রঙ বাদামী, ফর্সা নয়। তাঁর জন্য অনেক তির্যক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হযেছে আমাকে। আমি গর্বিত আমার গাযের রঙ ভারতীয়দের মতো। এই বাদামী ত্বকের জন্য আমার সাফল্যের প্রশংসা না করে সমালোচনা করা এরকম একজন মন্ত্রীর সাজে না। তাই এমন মন্তব্য করার আগে তাঁর সাবধান হওয়া উচিত।’

    দেশজুড়ে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিযার চাপে পড়েই তড়িঘড়ি শুক্রবার রাতেই ক্ষমা প্রার্থনা করেন ত্রিপুরার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশের হ্যান্ডলুম ব্যবসার উন্নতি ও কিভাবে তা আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করতে পারে তা বোঝাতে চেযেছিলাম। কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত। সব মহিলারাই আমার কাছে মাযের সমান।’

    First published: