Home /News /national /
Vikram Batra : মহানায়ক, পরম বীর চক্র এবং কার্গিল যুদ্ধের আইকন! মনে আছে বিক্রম বাত্রাকে?

Vikram Batra : মহানায়ক, পরম বীর চক্র এবং কার্গিল যুদ্ধের আইকন! মনে আছে বিক্রম বাত্রাকে?

এভাবেই পাকিস্তানিদের হারিয়ে পাহাড়ে ভারতের বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন বিক্রম

এভাবেই পাকিস্তানিদের হারিয়ে পাহাড়ে ভারতের বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন বিক্রম

Remembering braveheart captain Sher Shah Vikram Batra on 23 years of Kargil Vijay diwas. মহানায়ক, পরম বীর চক্র এবং কার্গিল যুদ্ধের আইকন! মনে আছে বিক্রম বাত্রাকে?

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কোন বিখ্যাত মানুষের জীবন নিয়ে সিনেমা হলে সেই মানুষকে আরো বেশি করে মানুষের মনের মধ্যে প্রবেশ করানো যায়। সিদ্ধার্থ মালহোত্রা অভিনীত শের শাহ সিনেমায় এমন চেষ্টা করা হয়েছে কার্গিল যুদ্ধের মহানায়ক বিক্রম বাত্রাকে নিয়ে। ১৯৯৯ সালের জুন মাসে অপারেশন বিজয়ের অংশ হিসাবে, ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার ইউনিট 13 JAK RIF কে কার্গিলের দ্রাস এলাকায় ৫৬ তম পদাতিক ব্রিগেডের অপারেশনাল কমান্ডের অধীনে মোতায়েন করা হয়েছিল।

    রাজ রিফ ব্যাটালিয়ন দ্বারা টোলোলিং টপ দখল করার পর,  ১৩ জেএকে রিফকে (13 JAK RIF) 5140 পয়েন্ট নামে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থান দখল করার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল। লেফটেন্যান্ট বিক্রম বাত্রার নেতৃত্বে ডেল্টা কোম্পানি এবং লেফটেন্যান্ট সঞ্জীব সিং জামওয়ালের নেতৃত্বে ব্রাভো কোম্পানিকে এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

    এলাকাটি সাইন হিল থেকে অনেক উঁচু এবং এই এলাকা শত্রুদের অধীনে ছিল। শত্রু অবস্থানে ভারতীয় আর্টিলারি বোমাবর্ষণের ঠিক আগে দুটি কোম্পানি তাদের লক্ষ্যবস্তুতে রওনা দেয়। শত্রুকে চমকে দেওয়ার জন্য, এই দুটি কোম্পানি দুটি ভিন্ন জায়গা থেকে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার নেতৃত্বে ডেল্টা কোম্পানির গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছিল।

    পাকিস্তানি শত্রুরা পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে গিয়ে তাদের দিকে মেশিনগানের গুলি চালায়। লেফটেন্যান্ট বাত্রার সাথে যুদ্ধ শুরু করে, যেখানে তিনি একাই তিনজনকে হত্যা করেছিলেন এবং নিজেও গুরুতর আহত হন। আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি তার পুরো কোম্পানিকে সঠিকভাবে পুনর্গঠন করেছিলেন।

    পয়েন্ট ৫১৪০ ক্যাপচারের সময় ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার দেখানো সাহসিকতা কোম্পানিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। অবশেষে, তারা পয়েন্ট ৫১৪০ দখল করে, বাত্রা ২০ জুন, ভোর ৪:৩৫ মিনিটে একটি রেডিও বার্তা পাঠায়, “চাণক্য… এটা শেরশাহ রিপোর্টিং!! আমরা পোস্ট ক্যাপচার করেছি! ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর”, যা পরবর্তীতে কার্গিল যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ লাইন হয়ে ওঠে।

    লেফটেন্যান্ট বিক্রম বাত্রা “ক্যাপ্টেন” (Captain) পদে উন্নীত হন। ডেল্টা কোম্পানির ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা এবং তার ২৫ জন লোক ৬ জুলাই রাতে আক্রমণ শুরু করে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ৭ জুলাই সূর্যোদয়ের আগে হঠাৎ শত্রুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং তাদের পোস্ট দখল করবে।

    কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তাদের কোম্পানির কোনো এক কর্মকর্তা পায়ে আঘাত পান, তাই তাদের সেই স্তানগুলো দখল করার সময় খুব কম থাকে। ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা সিদ্ধান্ত নেন যে দিনের আলো হয়ে গেলেও তিনি তার অপারেশন চালিয়ে যাবেন। আহত অফিসারেরকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    তিনি যখন এটি করার চেষ্টা করেছিলেন, তখন হঠাৎ একজন স্নাইপার তাকে বুকে গুলি করে এবং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে তিনি “দুর্গা মাতা কি জয়” বলেছিলেন। ক্যাপ্টেন বাত্রার সাহস এবং আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে, তার কোম্পানির লোকেরা দূরদর্শী সাহসের সাথে পয়েন্ট ৪৮৭৫ দখল করে।

    ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় সাহসিকতার স্বীকৃত প্রদর্শনের জন্য ভারতের সবচেয়ে উন্নত সামরিক সম্মান “পরম বীর চক্র” দ্বারা ভূষিত হয়েছিলেন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    পরবর্তী খবর