corona virus btn
corona virus btn
Loading

#নির্ভয়াকাণ্ড: ফাঁসির আগে নির্ভয়া গণধষর্ণে দোষীদের কী শেষ ইচ্ছা? কার সঙ্গে শেষবার দেখা করতে চান তাঁরা?

#নির্ভয়াকাণ্ড: ফাঁসির আগে নির্ভয়া গণধষর্ণে দোষীদের কী শেষ ইচ্ছা? কার সঙ্গে শেষবার দেখা করতে চান তাঁরা?
নির্ভয়া গণধর্ষণ

পয়লা ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টায় জারি হয়ে গিয়েছে মৃত্যু পরোয়ানা৷ ওই দিনই ফাঁসির দিন ধার্য করেছে আদালত৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: পয়লা ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টায় জারি হয়ে গিয়েছে মৃত্যু পরোয়ানা৷ ওই দিনই ফাঁসির দিন ধার্য করেছে আদালত৷ কিন্তু তার আগে নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষীকে তাদের শেষ ইচ্ছে জানানোর কথা বলা হয়েছে তিহার জেলের পক্ষ থেকে ৷ তিহার জেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই চার দোষীকে বলা হয়েছে, মৃত্যুর আগে তারা বিশেষ কারও সঙ্গে দেখা করতে চান কিনা ৷ জেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার দোষীকে বলা হয়েছে, তারা যদি কোনও ধর্মগ্রন্থ পড়তে চান, কিংবা কোনও ধর্মগুরুর সঙ্গে দেখা করতে চান, তাহলে তার অনুমতি দেওয়া হবে ৷ শুধু তাই নয়, তাদের যদি কোনও সম্পত্তি থাকে, সেটি যদি কারও নামে স্থানান্তরিত করতে চান, সেটাও করতে পারবে এই চার দোষী ৷

ফের রায় সংশোধনের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করল নির্ভয়া গণধর্ষণ-খুন কাণ্ডে ৪ দোষীর মধ্যে একজন পবন গুপ্তা৷ শীর্ষ আদালতে আবেদনে সে জানিয়েছে, নির্ভয়া গণধর্ষণ ও খুনের সময় সে নাবালক ছিল৷ আজই সুপ্রিম কোর্টে ওই মামলার শুনানি৷

সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, বিচারপতি আর ভানুমতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ পবন সিংয়ের আবেদনের শুনানি করবে৷ গত শুক্রবারই নির্ভয়া কাণ্ডে ৪ দোষীকে পয়লা ফেব্রুয়ারি ফাঁসি দেওয়া হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত৷ পবন সিংয়ের আবেদনে ফের এই মামলায় তৈরি হল আইনি জটিলতা৷ ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর শীতের রাতে দিল্লিতে ২৩ বছর বয়সি প্যারামেডিক্যালের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে নৃশংস ভাবে অত্যাার করে ৫ জন৷ তার মধ্যে একজন দোষী আত্মহত্যা করেছে৷ বাকি ৪ জনের ফাঁসির সাজা৷

পবন গুপ্তা তার আবেদনে লিখেছে, 'অপরাধের সময় আমি একজন নির্দোষ নাবালক ছিলাম৷ তাই আমায় জুভেনাইল আইনে সাজা দেওয়া হোক৷' অর্থাত্‍ কম সময়ের হাজতবাস৷ তার আরও দাবি, ওই সময় তার বয়স পরীক্ষা করা হয়নি৷ গত বছর ডিসেম্বরেও সে এই দাবি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল৷ কিন্তু হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেয়৷ সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল পবন৷

বিনয় শর্মা, মুকেশ সিং, অক্ষয় কুমার সিং ও পবন গুপ্তাকে প্রথমে ২২ জানুয়ারি তিহার জেলে ফাঁসির সাজা দিয়েছিল দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট৷ এরপর মুকেশ সিং প্রাণভিক্ষার আর্জি জানিয়ে কিউরেটিভ পিটিশ দাখিল করে সুপ্রিম কোর্টে৷ কিন্তু শীর্ষ আদালতে তা খারিজ হয়ে যায়৷ ফের সে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানায়৷ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও তার প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করেন৷ ফের জারি হয় মৃত্যু পরোয়ানা৷ ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টায় ৪ জনের ফাঁসি তিহার জেলে৷

Published by: Akash Misra
First published: January 23, 2020, 9:34 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर