• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দিওয়ালিতে করোনা সংক্রমণ আটকাতে কড়া পদক্ষেপ, SOPs জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার

দিওয়ালিতে করোনা সংক্রমণ আটকাতে কড়া পদক্ষেপ, SOPs জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার

হাতে দু'-সপ্তাহেরও কম সময়। এ দিকে মনে সংক্রমণের আতঙ্ক। তা বলে কি দীপাবলির আনন্দ মাটি হয়ে যাবে? প্রিয়জনদের উপহার দেওয়া, সৌজন্য বিনিময় সব বন্ধ হয়ে যাবে? না, এ ভাবে ভাবার কোনও কারণ নেই। বেশি বাইরে বেরোচ্ছেন না ঠিকই, তবে বাড়িতে বসেই আপনার প্রিয়জনের জন্য অনলাইনে অর্ডার দিতে পারেন যে কোনও সামগ্রী। এ ক্ষেত্রে বাজেটের মধ্যেই ফিটনেস ট্র্যাকার, সাউন্ডবারসহ একাধিক ডিভাইজ বেছে নিতে পারেন। এক নজরে দেখে নিন সেরা পাঁচটি গ্যাজেট, যেগুলি এ বারের দীপাবলীতে প্রিয়জনের হাতে তুলে দিতে পারেন আপনি।

হাতে দু'-সপ্তাহেরও কম সময়। এ দিকে মনে সংক্রমণের আতঙ্ক। তা বলে কি দীপাবলির আনন্দ মাটি হয়ে যাবে? প্রিয়জনদের উপহার দেওয়া, সৌজন্য বিনিময় সব বন্ধ হয়ে যাবে? না, এ ভাবে ভাবার কোনও কারণ নেই। বেশি বাইরে বেরোচ্ছেন না ঠিকই, তবে বাড়িতে বসেই আপনার প্রিয়জনের জন্য অনলাইনে অর্ডার দিতে পারেন যে কোনও সামগ্রী। এ ক্ষেত্রে বাজেটের মধ্যেই ফিটনেস ট্র্যাকার, সাউন্ডবারসহ একাধিক ডিভাইজ বেছে নিতে পারেন। এক নজরে দেখে নিন সেরা পাঁচটি গ্যাজেট, যেগুলি এ বারের দীপাবলীতে প্রিয়জনের হাতে তুলে দিতে পারেন আপনি।

বাজি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল মহারাষ্ট্র সরকার৷

  • Share this:

    #মুম্বই: মহারাষ্ট্র সরকার একগুচ্ছ  স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর Standard Operating Procedures (SOPs) জারি করল৷ করোনা ভাইরাসের -coronavirus disease (Covid-19)সংক্রমণ ঠেকাতে এই পদক্ষেপগুলি নিচ্ছে তারা৷ নাগরিকরা যেন বাজি না পোড়ায় সেটাই চাইছে তারা৷ বাজির থেকে শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ৷

    রাজ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন এবারের দিওয়ালি যেন বাজিবিহীণ হয়৷ যাতে বায়ুদূষণ কম হয় এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কম ছড়ায়৷

    তোপ বলেছেন, ‘ আমরা সাধারণ মানুষের  কাছে আবেদন বাজিবিহীণ দিওয়ালি আর আমরা আত্মবিশ্বাসী মানুষজন আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন কারণ এতে সমস্ত মানুষের স্বাস্থ্যের সামগ্রিক উন্নতি হবে৷ বাজি পোড়ানো থেকে প্রচুর মানুষের বাজি থেকে কষ্ট হয়৷ করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষাপটে আমরা বাজিবিহীণ দিওয়ালি  চাইছি৷ ’

    মহারাষ্ট্র বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সর্বোচ্চ মামলা ও সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর সংখ্যা৷ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা পুণে, থানে, মুম্বই, নাসিক, নাগপুরে৷

    চান্দরপুর, রায়গাদ ও সাতারাতেও কেসের সংখ্যা প্রচুর৷ রাজ্যে মোট ১৬,৯৮,১৯৮ সংক্রমিত৷  মৃতের সংখ্যা ৪৪,৫৪৮ ৷ মার্চের ৯ তারিখে ঘটেছিল প্রথম মৃত্যুর ঘটনা৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: