• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Public Toilet Door : পাবলিক টয়লেটের দরজায় উপরে ও নীচের অংশ থাকে না কেন?

Public Toilet Door : পাবলিক টয়লেটের দরজায় উপরে ও নীচের অংশ থাকে না কেন?

টয়লেটের দরজার দৈর্ঘ্য নীচের দিকে লম্বা হলেই জল এবং আর্দ্রতায় তীব্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়

টয়লেটের দরজার দৈর্ঘ্য নীচের দিকে লম্বা হলেই জল এবং আর্দ্রতায় তীব্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়

Public Toilet Door : শপিং মল বা পাবলিক প্লেসের অন্যত্র এরকম টয়লেট ডোর (public toilet) দেখতে আমরা অভ্যস্ত৷ কিন্তু জানেন কি দরজার এই অদ্ভুত আকৃতির কারণ?

  • Share this:

    উপরে এবং নীচে ফাঁকা৷ শপিং মল বা পাবলিক প্লেসের অন্যত্র এরকম টয়লেট ডোর (public toilet) দেখতে আমরা অভ্যস্ত৷ কিন্তু জানেন কি দরজার এই অদ্ভুত আকৃতির কারণ? কেন এরকম দরজা তৈরি করা হয় পাবলিক টয়লেটের? তার একাধিক কারণ আছে৷ অন্যতম সুবিধেজনক কারণ হল, এই দরজা অনেক বেশি টেকসই এবং পরিষ্কার করা সুবিধে৷ টয়লেটের দরজার দৈর্ঘ্য নীচের দিকে লম্বা হলেই জল এবং আর্দ্রতায় তীব্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় (bizarre size of door of public toilets )৷ পাশাপাশি আরও কারণ আছে যার জন্য এই অদ্ভুত আকারের দরজা তৈরি করা হয় পাবলিক টয়েলেটে৷

    আরও পড়ুন : প্রেমিক বা প্রেমিকা অনর্গল মিথ্যে বলেন? তাঁদের কোন আচরণ থেকে বুঝতে পারবেন?

    যদি শৌচাগারে থাকার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ? তা হলে দরজা খুলে তাঁকে বাইরে বার করে আনতে সুবিধে হবে ৷ এরকম জরুরিকালীন পরিস্থিতির কথা ভাবা হয় সবার আগে৷

    পাবলিক টয়লেটের ভিতরে কেউ আছেন কিনা সেটা সব সময় বাইরে থেকে বোঝা নাও যেতে পারে ৷ কারণ দরজার লকিং ব্যবস্থা অনেক সময়েই যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে যেতে পারে৷ সেদিক দিয়ে দরজার অর্ধাংশ উন্মুক্ত হওয়ায় বাইরে থেকে পায়ের অংশ দেখে বোঝা যাবে ভিতরে কেউ আছেন৷

    আরও পড়ুন : ঘুমোতে ভালবাসেন? জানেন কি অতিরিক্ত ঘুম স্ট্রোকের বড় কারণ!

    টয়লেটের ভিতরে ধূমপান পাবলিক প্লেসে নিষিদ্ধ৷ অনেক সময়েই তা সমস্যার কারণও হতে পারে৷ সেই নিয়ম লঙ্ঘন করে শৌচাগারে কেউ ধূমপান করছেন কিনা, জানার জন্য ছোট দরজাই বাঞ্ছনীয়৷ টয়লেট থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখলেই ধরা পড়বেন নিয়ম লঙ্ঘনকারীও৷

    আরও পড়ুন : বয়স ৩০ পেরিয়েছে? ডায়েটে এই খাবারগুলি আছে তো?

    টয়লেটের দরজা এরকম হলে সহজেই কিছু না কিছু জিনিস ভিতরে পাঠানো যায়৷ টিস্যু পেপার, সংবাদপত্র, মোবাইল ফোন প্রয়োজন হলেই ভিতরে পাঠানো যায়, দরজা না খুলেই৷ ফলে লজ্জাজনক এবং অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি এড়ানো যায় সহজেই৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: