• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Oversleeping : ঘুমোতে ভালবাসেন? জানেন কি অতিরিক্ত ঘুম স্ট্রোকের বড় কারণ!

Oversleeping : ঘুমোতে ভালবাসেন? জানেন কি অতিরিক্ত ঘুম স্ট্রোকের বড় কারণ!

জানেন কি রোজই বেশি সময় ধরে ঘুমনো চিকিৎসার দিক দিয়ে উদ্বেগের বিষয়

জানেন কি রোজই বেশি সময় ধরে ঘুমনো চিকিৎসার দিক দিয়ে উদ্বেগের বিষয়

Oversleeping :গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা প্রতিদিন গড়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমোন তাঁরা স্ট্রোকের (stroke) শিকার হন

  • Share this:

    ছুটির দিনে একটু বেশি ঘুমনো (Oversleeping) আমাদের কাছে পরম লোভনীয়৷ কিন্তু জানেন কি রোজই বেশি সময় ধরে ঘুমনো চিকিৎসার দিক দিয়ে উদ্বেগের বিষয়? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা প্রতিদিন গড়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমোন তাঁরা স্ট্রোকের (stroke) শিকার হন৷

    ইদানীং অলস জীবনযাপনের জন্য ২৫ বছর বয়সি তরুণও কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হচ্ছেন৷ যার পরিণতি অনেক সময়েই শেষ অবধি স্ট্রোকেও পৌঁছয়৷

    আরও পড়ুন : বয়স ৩০ পেরিয়েছে? ডায়েটে এই খাবারগুলি আছে তো?

    রোজ রাতে যাঁরা ৯ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে ঘুমোন, তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৩ শতাংশ অবধি বেড়ে যায়৷ অন্য দিকে, যাঁরা দৈনিক ৮ ঘণ্টার কাছাকাছি সময় ধরে ঘুমনোর অভ্যাস অনুসরণ করেন, তাঁদের মধ্যে হৃদরোগের আশঙ্কা কম৷

    গবেষণায় দুপুরের দীর্ঘ ভাতঘুমেরও বিরোধিতা করা হয়েছে৷ বলা হয়েছে, দিনের মাঝখানে যাঁরা প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় ধরে ঘুমোন, তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ অবধি বৃদ্ধি পায়৷ তবে দুপুরে আধঘণ্টা পর্যন্ত বিশ্রাম নেওয়াই যায়, বলছে সমীক্ষা৷ একইভাবে যাঁরা তুলনামূলকভাবে বেশিক্ষণ ঘুমোন, কিন্তু নিশ্ছিদ্র ঘুম হয় না, তাঁদের হৃদরোগের আশঙ্কা ৮২ শতাংশ বেশি৷

    আরও পড়ুন : আপনার চায়ে কি ভেজাল মেশানো আছে? বুঝতে পারবেন এই সাধারণ পরীক্ষায়

    নিউরোলজিস্ট জয়দীপ বনশল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘অতিরিক্ত ঘুম কীভাবে স্ট্রোকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, তা স্পষ্ট করে বোঝা যায় না৷ কিন্তু সমীক্ষা বলছে, যাঁরা  নির্ধারিত সময়ের তুলনায় বেশি ঘুমোন, তাঁদের শরীরে কোলেস্টরল মাত্রা এবং ওজন দুই-ই বেড়ে যায়৷ দু’টি বিষয়ই কিন্তু স্ট্রোকের জন্য রিস্ক ফ্যাক্টর৷’’

    আরও পড়ুন : বেদানা, বিট এবং অ্যালোভেরা ত্রয়ীর সাহায্যে প্রতিরোধ করুন রক্তাল্পতা

    তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা একইসঙ্গে মনে করেন সুস্থ ডায়েট এবং জীবনযাপনের ধারা অনুসরণ করলে স্ট্রোকের আশঙ্কা ৮০ শতাংশ অবধি এড়ানো যায়৷ শারীরিক কসরত এবং অল্পবিস্তর শরীরচর্চা বজায় রাখতে হবে৷ জাঙ্কফুড, ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান বর্জন করতে হবে৷ পাশাপাশি, ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরল এবং শরীরের অন্যান্য দিকের খেয়াল রাখতে হবে৷ দৈনন্দিন জীবনের এই খুঁটিনাটি জিনিসগুলি মিনে রাখলেই এড়ানো যাবে স্ট্রোকের করালছায়া৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: