Home /News /life-style /
Summer Skin Care: গ্রীষ্মে ত্বকের দফারফা? দেখে নিন আর্দ্রতা ধরে রাখার কয়েকটা সহজ কৌশল!

Summer Skin Care: গ্রীষ্মে ত্বকের দফারফা? দেখে নিন আর্দ্রতা ধরে রাখার কয়েকটা সহজ কৌশল!

Summer Skin Care: এমন পণ্য ব্যবহার করতে হয় যা তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করবে এবং তাপের ফলে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে দেবে।

  • Share this:

গ্রীষ্মে ত্বকের জন্য চাই পর্যাপ্ত পুষ্টি, নিয়ম করে। প্রখর রোদ, শুষ্ক বায়ু এবং সূর্য রশ্মি ত্বক থেকে সমস্ত আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে ম্যাড়ম্যাড়ে এবং নিস্তেজ। সঠিক খাওয়াদাওয়া, পর্যাপ্ত জল, ময়শ্চারাইজার, ফেসপ্যাক, ফেসিয়াল ইত্যাদির মাধ্যমে এই আর্দ্রতা পূরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এগুলোর প্রভাব বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

আরও পড়ুন : সাবধান! চিনে নিন এই 'পাঁচ' ফল! রূপে ভুলবেন না, এই ফল খেয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!

তাই এই সময়টা কিছু রুটিন মেনে চলতে হয়। নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হয় ত্বক। সঙ্গে এমন পণ্য ব্যবহার করতে হয় যা তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করবে এবং তাপের ফলে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে দেবে। মাথায় রাখতে হবে, ত্বকের যত্ন মানেই অনেক বেশি সৌন্দর্যপণ্যের ব্যবহার নয়, বরং সঠিক পণ্য সঠিকভাবে ব্যবহার।

নিয়মিত টোনারের ব্যবহার:

টোনারের দাম খুব কম। তারপরেও অনেকেই দৈনন্দিন রূপচর্চায় একটা ভাল প্রাকৃতিক উপাদানভিত্তিক টোনার ব্যবহার করতে গড়িমসি করেন। গ্রীষ্মকালে এই টোনারই ত্বকের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়ে উঠতে পারে। এটা ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং ত্বকের উপর দ্বিগুণ সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। প্রখর তাপ থেকে ত্বককে বাঁচাতে এর জুড়ি নেই।

সানস্ক্রিনের ঢাল:

সানস্ক্রিন সূর্যের ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মির হাত থেকে ত্বকের উপর ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এটা অপরিহার্য। গ্রীষ্মে অ্যালোভেরা ভিত্তিক সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। অ্যালোভেরার আশ্চর্যজনক নিরাময় ক্ষমতা এবং চমৎকার প্রতিরক্ষামূলক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে খুব উচ্চ এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন বেছে নেওয়ার দরকার নেই, মাঝারি মাত্রার অর্থাৎ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ এসপিএফ ভারতীয় আবহাওয়ার জন্য একেবারে উপযুক্ত।

সিরাম ব্যবহার:

ত্বকে মাল্টি ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-সহ ভালো পুষ্টিকর সিরাম লাগাতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে। আরগান তেল সমৃদ্ধ একটি সিরাম প্রাকৃতিক পুষ্টি প্রদান করে এবং ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে:

জীবাণু, দূষণ এবং ধুলোকণা যত বেশিক্ষণ ত্বকে থাকবে তত ক্ষতি হবে। তাই ফেস ওয়াশ এবং ক্লিনার দিয়ে মুখ হাত ধুয়ে নিলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকবে। ব্লুবেরি, কাঠকয়লা, নিম, পেঁপে, স্ট্রবেরি ইত্যাদি অসাধারণ উপাদান যুক্ত ফেস ওয়াশ ত্বকের সত্যিকারের বন্ধু। তবে ডি-ট্যান ফেস ওয়াশও বেছে নেওয়া যায়।

ত্বক শ্বাস নিক:

ত্বকের প্রাকৃতিকভাবে পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তাই খুব বেশি পণ্য বা রাসয়নিকযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার না করাই ভাল। তাই ফেস ওয়াশ বা ক্লিনার ব্যবহারের পর স্বাভাবিক অবস্থায় রাখতে হবে। সোজা কথায়, ঘরের ভিতর ত্বক খোলা হাওয়ায় শ্বাস নিক!

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Skin, Skin Care

পরবর্তী খবর