Home /News /life-style /
Tea making tips: আপনার হাতের চা খেয়ে মন ভরছে না বাড়ির লোকেদের? এই টিপসগুলি মানলেই মিলবে বাহবা

Tea making tips: আপনার হাতের চা খেয়ে মন ভরছে না বাড়ির লোকেদের? এই টিপসগুলি মানলেই মিলবে বাহবা

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

সবার হাতে চায়ের স্বাদ খোলতাই হয় না! চা বানানোর সময়ে কয়েকটা জিনিস খেয়াল রাখলেই তৈরি হবে চুমুকে চমকের আশ্লেষ।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: রান্না ভালো হয় হাতের গুণে। অনেকেই বলেন এমনটা। ভালো রাঁধুনিদের হাতে না কি স্বয়ং মা অন্নপূর্ণা বিরাজ করেন। সামান্য তেল, ঝাল, মশলাতেই অসামান্য পদ রেঁধে দেন তাঁরা। চায়ের ক্ষেত্রেও এই কথাটা খাটে। সবার হাতে চায়ের স্বাদ খোলতাই হয় না! তবে এর একটা উপায় আছে। চা বানানোর সময়ে কয়েকটা জিনিস খেয়াল রাখলেই তৈরি হবে চুমুকে চমকের আশ্লেষ।

চায়ের বেস তৈরি করে জল। তাই কোন জলে চা বানানো হচ্ছে সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ জলের গুণাগুণ। নাহলে যত ভালো চা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন সব মাটি। এককথায়, নিম্নমানের জল মানে নিম্নমানের চা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যাসিডিক প্রকৃতির জলই চায়ের জন্য সবচেয়ে ভালো। অর্থাৎ যার পিএইচ মান ৭-এর কম। নদী, হ্রদ, স্রোত, হিমবাহের জল সামান্য অম্লীয়, তাই চা তৈরির জন্য সেরা। চায়ের জটিল এবং সূক্ষ নোটগুলো এই জাতীয় জলে সবচেয়ে ভালো খেলে।

আরও পড়ুন: শরীর থেকে দূর করে জীবনকে সুস্থ, ফুরফুরে ও চনমনে করে, শুধুমাত্র এই পানীয় বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়

জল ফিল্টার করা গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে জীবাণু এবং রাসয়নিক দূর হয়। জলের স্বাদ বাড়ে। বোতলজাত স্প্রিং ওয়াটারেও ভালো স্বাদের চা তৈরি হয়। তবে ডিস্টিল ওয়াটারে চা না করাই ভালো। কম খনিজের কারণে স্বাদ ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায়। মিনারেল ওয়াটারের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে।

সঠিক তাপমাত্রা এবং ফোটানোর সময়: বিভিন্ন জাতের চা পাতা পাওয়া যায়। তাই সেই সব চা ফোটানোর সময় এবং তাপমাত্রাও হবে ভিন্ন ভিন্ন। গ্রিন টি এবং হোয়াইট টি হলে ফোটাতে হবে কম আঁচে। আবার ব্ল্যাক টি বা ভেষজ চায়ের জন্য গনগনে আঁচের প্রয়োজন। তবেই সমস্ত স্বাদ সঠিক অনুপাতে উঠে আসবে।

আরও পড়ুন: ধবধবে সাদা, তুলতুলে নরম! স্পঞ্জ রসগোল্লা তৈরি করুন ঘরেই! সহজ এই রেসিপি ট্রাই করুন আজই

এবার সময়। অর্থাৎ কতক্ষণ ফোটাতে হবে। তবে এটা নির্ভর করছে কে কেমন চা খেতে পছন্দ করেন তার উপর। অনেকে কড়া চা খেতে পছন্দ করেন আবার অনেকে চান পাতলা, মৃদু ফ্লেভারের চা। যাই হোক, বিভিন্ন ধরনের চা তৈরির ক্ষেত্রে কিছু প্যারামিটার মেনে চলতে হয়।

বিভিন্ন চা ফোটানোর সময়: কোন ধরনের চা কতক্ষণ ফোটালে সবচেয়ে ভালো স্বাদ পাওয়া যাবে তার একটা রেমিডি এখানে দেওয়া হল। গ্রিন টি (১ থেকে ২ মিনিট), ব্ল্যাক টি (৩ থেকে ৪ মিনিট), ওলং টি (৩ মিনিট), ভেষজ চা (৪ থেকে ৫ মিনিট), হোয়াইট টি (৩ মিনিট)।

টি পটকেও গরম করে নিতে হবে: এটা অনেকেই জানেন না, চা ঢালার আগে টি পটটাকেও ফোটানো জলে ধুয়ে গরম করে নেওয়া প্রয়োজন। সসপ্যান থেকে ঠান্ডা পাত্রে সরাসরি চা ঢেলে দিলে তাপমাত্রা বদলে যায় ফলে স্বাদও নষ্ট হয়।

পরিমাণ মতো চা পাতা: এক কাপ চায়ের জন্য কতটা চা পাতা দরকার? এটা নির্ভর করে কোন ধরনের চা ব্যবহার হচ্ছে তার উপর। সাধারণত ২০০ এমএল জলে ২ গ্রাম চা পাতা দেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা ৬ থেকে ৮ আউন্স জলের জন্য ২-৩ গ্রাম চা পাতা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এ জন্য পরিমাপ চামচ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

কখন দুধ দিতে হবে: এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তির পছন্দের উপর নির্ভর করে। সাধারণত ফার্স্ট ফ্লাশ, ব্ল্যাক টি, হোয়াইট টি, গ্রিন টি বা ভেষজ চা দুধ ছাড়াই ভালো লাগে। সিটিসি মশলা চা, সেকেন্ড ফ্লাশ ব্ল্যাক টি-তে দুধ দিলে স্বাদ খোলতাই হয়। তবে একান্তই দুধ দিতে চাইলে একদম শেষে যোগ করাই ভালো।

First published:

Tags: Tea

পরবর্তী খবর