Home /News /life-style /
Why Capsicum is called Shimla Mirch: এদেশে জন্মই নয়, তাও কীভাবে ক্যাপসিকামের নাম হয়ে গেল সিমলা মির্চ?

Why Capsicum is called Shimla Mirch: এদেশে জন্মই নয়, তাও কীভাবে ক্যাপসিকামের নাম হয়ে গেল সিমলা মির্চ?

Capsicum Or Shimla Mirch

Capsicum Or Shimla Mirch

Origin of Capsicum: ক্যাপসিকাম ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু কীভাবে এর নাম হল সিমলা মির্চ?

  • Share this:

    Capsicum Trivia: সবজির সমাজে ক্যাপসিকামের কদরই আলাদা! রোজের খাবারে সে নিজের জায়গা করে নিয়েছে যেমন, খুব বাহারী পদেও তার ব্যবহার বিশেষ দাবি রাখে! ঝালহীন এই লঙ্কার রঙ হতে পারে গভীর সবুজ, উজ্জ্বল হলুদ এবং উজ্জ্বল লাল। এটিই সেই অন্যতম সবজি যা প্রায় প্রতিটি রান্নায় উপযুক্ত। কিন্তু ক্যাপসিকামকে বিশেষ করে হিন্দিতে কেন সিমলা মির্চ বলা হয় জানেন? সিমলার সঙ্গে এর কী সম্পর্ক?

    আরও পড়ুন- তেতো সবজি দেখেই নাক-মুখ কুঁচকে যায়? বলুন তো উচ্ছেকে কী বলে ইংরেজিতে!

    ক্যাপসিকামের উৎপত্তি

    ভারতে ক্যাপসিকাম ব্যাপকভাবে খাওয়া হলেও সবজিটি মোটেও এদেশীয় নয়। ক্যাপসিকাম মূলত দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় পাওয়া যায় এবং ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা থেকে যাত্রা করার সময় ইউরোপে নিয়ে আসেন এই সবজিটি। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ক্যাপসিকাম ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু কীভাবে এর নাম হল সিমলা মির্চ?

    ভারতে আগমন

    বলা হয়, ব্রিটিশরা তাদের রাজত্বকালে ভারতে ক্যাপসিকামের ব্যবহার চালু করেছিল। ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে সিমলা ছিল দেশের রাজধানী। ইওরোপ থেকে ক্যাপসিকামের বীজ এনেছিল ব্রিটিশরা এবং পার্বত্য অঞ্চলে অনুকূল পরিবেশের ক্যাপসিকামের চাষ বাড়তে থাকে।

    উচ্চ ফলন এবং দুর্দান্ত স্বাদের কারণে এদেশের মানুষ প্রচুর পরিমাণে ক্যাপসিকাম উত্পাদন করতে শুরু করে। যেহেতু ভারতে সিমলায় চাষ করা হয়েছিল, ক্যাপসিকামের নাম হয়ে যায় সিমলার নামে, সিমলা মির্চ নামেও ডাকা হতে থাকে সবজিটিকে।

    আরও পড়ুন- ভাইরাল ভিডিও: বাঁদরের বুদ্ধি! নিজের ক্ষত সারাতে সোজা ডাক্তারখানায় হাজির মা বাঁদর

    ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ

    ক্যাপসিকাম থার্মোজেনেসিস সক্রিয় করতে এবং বিপাকীয় হার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ঝাল লঙ্কার বদলে ক্যাপসিকামের থার্মোজেনিক কার্যকলাপ পরিমিত যা হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ বৃদ্ধি না করেই বিপাককে উন্নত করে।

    এতে ভিটামিন সি-এর পরিমাণও বেশি। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য উপকারী। ক্যাপসিকামের ভিটামিন সি শ্বেত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে শরীরকে অসুস্থতা থেকে লড়ার ক্ষমতা জোগায়।

    ভারতে ব্যবহার

    ক্যাপসিকামের উত্স বিদেশে হওয়ায় এবং রান্নার পদ্ধতির কারণে ভারতে ব্যাপকভাবে খাওয়া হলেও সবজিটিকে বিদেশি সবজির মধ্যেই গণ্য করা হয়। ক্যাপসিকাম প্রধানত কন্টিনেন্টাল খাবারে ব্যবহৃত হয়, যেমন পিৎজা টপিংস এবং অন্যান্য ইতালীয় খাবার, চাইনিজ খাবার এবং আরও অনেক কিছুতেই। অনেক কন্টিনেন্টাল স্যালাডের গার্নিশিং বা ড্রেসিংয়ের অংশ হিসাবেও ব্যবহৃত হয় ক্যাপসিকাম।

    Published by:Madhurima Dutta
    First published:

    Tags: Capsicum

    পরবর্তী খবর