কতটা নিরাপদ এই জাতীয় সড়ক, কি ভাবে প্রতিনিয়ত ভাঙা হচ্ছে এই ট্রাফিক আইন
Last Updated:
সড়ক দুর্ঘটনায় বারবারই উঠে আসছে দু নম্বর জাতীয় সড়কের নাম।
#কলকাতা: সড়ক দুর্ঘটনায় বারবারই উঠে আসছে দু নম্বর জাতীয় সড়কের নাম। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। তবুও এই জাতীয় সড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙার বিরাম নেই। কেউ আগে পৌঁছনোর জন্য আইন ভাঙছেন, কেউ আবার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন। কতটা নিরাপদ এই জাতীয় সড়ক, কি ভাবে প্রতিনিয়ত ভাঙা হচ্ছে এই ট্রাফিক আইন ৷
প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণে এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দু নম্বর জাতীয় সড়ক। কয়েকমাস আগেই এই জাতীয় সড়কে গুরুতর জখম হন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন সঙ্গীত শিল্পী কালিকাপ্রসাদ। কিন্তু তারপরেও এই জাতীয় সড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙা প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। কী ভাবে ভাঙা হচ্ছে ট্রাফিক আইন।
advertisement
নিয়ম ভেঙে জাতীয় সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকছে পণ্যবাহী ট্রাক। ফলে রাস্তা হয়ে যাচ্ছে সরু, দৃশ্যমানতাও কমছে অনেক জায়গায় স্পিড লিমিট মানছেন না অনেক গাড়ির চালক। নিয়ম ভেঙে ওভারটেক করা হচ্ছে যাতায়াতের সুবিধার জন্য, অনেক জায়গাতেই ফেন্সিং কেটে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাটা রাস্তা দিয়েই চলছে নিরন্তর যাতায়াত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাতীয় সড়কে চলছে টোটো, মোটর ভ্যান ৷
advertisement
advertisement
বর্ধমানের জামালপুর থেকে গলসি পর্যন্ত জাতীয় সড়কের দৈর্ঘ্য একশো কিলোমিটার। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চার মাসে জাতীয় সড়কের এই এলাকায় পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা ৮৯টি। মৃত্য়ু হয়েছে প্রায় ৪২ জনের। আহতের সংখ্যা প্রায় ৬০। জাতীয় সড়কে নানান সতর্কবার্তা বোর্ড টাঙানো হলেও দুর্ঘটনায় রাশ টানা যায়নি।
পুলিশ মাঝেমধ্যেই ধড়পাকর চালালেও জাতীয় সড়কে টোটো, ভ্যানো চলাচল বন্ধ করা যায়নি ৷ দুর্ঘটনায় রাশ টানতে বর্ধমান জেলার এগারোটি জায়গাকে দুর্ঘটনাপ্রবণ বা ব্ল্যাকস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বর্ধমানের নবাবহাট, গলসির মোড় সহ প্রতিটি এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের দাবি, নজরদারি বাড়ানো হয়েছে অনেকটাই। নেওয়া হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যও।
Location :
First Published :
Mar 10, 2017 1:58 PM IST









