কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রাথমিকের টেট শীঘ্রই নেওয়া হবে, আবেদন জমা পড়েছে আড়াই লক্ষ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রাথমিকের টেট শীঘ্রই নেওয়া হবে, আবেদন জমা পড়েছে আড়াই লক্ষ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে পাঁচ বছর পর ফের প্রাথমিকের নেওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল। বুধবার নবান্নতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন " অতিমারী পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে পাঁচ বছর পর ফের প্রাথমিকের নেওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল। বুধবার নবান্নতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন " অতিমারী পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রাথমিকের টেট এর জন্য আড়াই লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। কোভিদ বিধি মেনেই অফলাইনেই আমরা পরীক্ষা নেব। খুব শীঘ্রই পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল শিক্ষা দপ্তর।" সূত্রের খবর আগামী বছরের শুরুর দিকে অর্থাৎ জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারি প্রথমেই প্রাথমিকের টেট নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই কোন কোন পরীক্ষা কেন্দ্র পরীক্ষা নেওয়া হবে কত সংখ্যক পরীক্ষা কেন্দ্র পরীক্ষা নেওয়া হবে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে কতজন করে পরীক্ষার্থী বসবে সেই বিষয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ইতিমধ্যেই রাজ্যে দুই দফায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। কিন্তু নানা আইনি জটিলতার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেকটাই সময় লেগেছিল রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এর। সেইসব আইনি জটিলতা কাটিয়ে আবারো রাজ্যে প্রাথমিক টেট হতে চলেছে। বুধবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা তে এমন সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল। রাজ্য শেষবার প্রাথমিকের টেট নেওয়া হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই টেট ঘিরে একাধিক বিতর্ক থাকলেও তার ফলাফল ২০১৬ সালে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু তারপর থেকে রাজ্যে প্রাথমিকের টেট নেওয়া হয়নি। যদিও ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে টেট নেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি ও করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই বিজ্ঞপ্তি জারি অনুযায়ী আড়াই লক্ষ আবেদনপত্র ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে। এতদিন ধরে প্রাথমিকের নেওয়া যায়নি তার কারণ হিসেবে মূলত জানা যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের কত শূন্য পদ রয়েছে তার নির্দিষ্ট তথ্য তৈরি না হওয়ার জেরেই টেট নেওয়া সম্ভব হয়নি বলেই খবর। সূত্রের খবর এই মুহুর্তে রাজ্যে প্রাথমিক স্কুল গুলিতে ৩০ হাজারেরও বেশি শূন্য পদ রয়েছে। সেক্ষেত্রে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন এর নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ বলেই জানা গেছে। মূলত প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে এনসিটিই। এনসিটির নিয়ম মেনেই নিয়োগ করবে রাজ্য। সূত্রের খবর সে ক্ষেত্রে ইচ্ছুক প্রার্থীদের জন্য আবারো রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। যদিও এই বিষয় নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রায় তিন বছরের মাথাতেই প্রাথমিক টেট হওয়াতে স্বভাবতই খুশি আবেদনকারীরা।

Published by: Akash Misra
First published: November 11, 2020, 6:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर